চরচা ডেস্ক

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন দেশটির ভাইস-প্রিমিয়ার ইয়াং সুং-হো-কে পদচ্যুত করেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, একটি গুরুত্বপূর্ণ কারখানা আধুনিকায়ন প্রকল্পে ব্যর্থতা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে তাকে এই কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে।
সামনেই উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের একটি বড় সম্মেলন (কংগ্রেস) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, তার আগেই নিজের ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ মজবুত করতে কিম এই পদক্ষেপ নিলেন।
উত্তর কোরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ‘রিয়ংসং মেশিন কমপ্লেক্স’ নামের একটি বিশাল কারখানা আধুনিকায়নের কাজ চলছিল। কিম জং উনের অভিযোগ, ভাইস-প্রিমিয়ার ইয়াং সুং-হো তার দায়িত্ব পালনে চরম অযোগ্যতা দেখিয়েছেন। এর ফলে প্রকল্পটিতে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে এবং কাজের গতি থমকে গেছে।
কিম জং উন ওই কর্মকর্তার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “সহজ কথায় বলতে গেলে, তিনি ছিলেন গরুর গাড়িতে জোড়া একটি ছাগলের মতো। আমরা কি কখনো আশা করতে পারি যে একটা ছাগল গরুর কাজ করবে? তাকে নিয়োগ দেওয়াটা আমাদের একটি ভুল ছিল।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, কিমের এই আচরণের পেছনে কয়েকটি বিশেষ কারণ রয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক সংকটের দায় নিজের ওপর না নিয়ে কর্মকর্তাদের ওপর চাপানো কিম জং উনের একটি পুরনো কৌশল।
সামনে বড় রাজনৈতিক সম্মেলন থাকায় অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করা, যেন তারা দ্রুত ফলাফল এনে দিতে বাধ্য হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতির আসল সমস্যা হলো দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচিতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা। কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ভুল নয়।
চলতি বছরের জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের বড় সম্মেলন হতে পারে। সেখানে কিম নতুন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিকল্পনা ঘোষণা করবেন।
ধারণা করা হচ্ছে, কিম জং উন রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করবেন। পাশাপাশি ট্রাম্পের চীন সফরের সম্ভাবনা থাকায় আমেরিকার সাথে পুনরায় আলোচনার পথও খুলতে পারে।

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন দেশটির ভাইস-প্রিমিয়ার ইয়াং সুং-হো-কে পদচ্যুত করেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, একটি গুরুত্বপূর্ণ কারখানা আধুনিকায়ন প্রকল্পে ব্যর্থতা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে তাকে এই কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে।
সামনেই উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের একটি বড় সম্মেলন (কংগ্রেস) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, তার আগেই নিজের ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ মজবুত করতে কিম এই পদক্ষেপ নিলেন।
উত্তর কোরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ‘রিয়ংসং মেশিন কমপ্লেক্স’ নামের একটি বিশাল কারখানা আধুনিকায়নের কাজ চলছিল। কিম জং উনের অভিযোগ, ভাইস-প্রিমিয়ার ইয়াং সুং-হো তার দায়িত্ব পালনে চরম অযোগ্যতা দেখিয়েছেন। এর ফলে প্রকল্পটিতে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে এবং কাজের গতি থমকে গেছে।
কিম জং উন ওই কর্মকর্তার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “সহজ কথায় বলতে গেলে, তিনি ছিলেন গরুর গাড়িতে জোড়া একটি ছাগলের মতো। আমরা কি কখনো আশা করতে পারি যে একটা ছাগল গরুর কাজ করবে? তাকে নিয়োগ দেওয়াটা আমাদের একটি ভুল ছিল।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, কিমের এই আচরণের পেছনে কয়েকটি বিশেষ কারণ রয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক সংকটের দায় নিজের ওপর না নিয়ে কর্মকর্তাদের ওপর চাপানো কিম জং উনের একটি পুরনো কৌশল।
সামনে বড় রাজনৈতিক সম্মেলন থাকায় অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করা, যেন তারা দ্রুত ফলাফল এনে দিতে বাধ্য হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতির আসল সমস্যা হলো দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচিতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা। কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ভুল নয়।
চলতি বছরের জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের বড় সম্মেলন হতে পারে। সেখানে কিম নতুন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিকল্পনা ঘোষণা করবেন।
ধারণা করা হচ্ছে, কিম জং উন রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করবেন। পাশাপাশি ট্রাম্পের চীন সফরের সম্ভাবনা থাকায় আমেরিকার সাথে পুনরায় আলোচনার পথও খুলতে পারে।

মামলায় আট গ্রেপ্তার আসামির মধ্যে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সাবেক এসআই ও পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা রয়েছেন। এদের একজন শেখ আবজালুল হক আদালতে রাজসাক্ষী হয়ে জবানবন্দি দেন এবং শহীদ পরিবারের কাছে ক্ষমা চান। অপরদিকে সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ আরও আটজন এখনও পলাতক।