চরচা ডেস্ক

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্য সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে আমেরিকা। ট্রাম্প প্রশাসন আসার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এবার সেই অবস্থান থেকে সরে আসছে দেশটি। তবে এ জন্য দেশগুলোকে আসতে হবে চুক্তির আওতায়।
আমেরিকা চাইছে, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন ডেটা, বিশেষ করে জীবাণু নিয়ে। এসব জীবাণুর তথ্য দিলেই মিলবে মার্কিন স্বাস্থ্য সহায়তা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি সরকারি নথি তাদের হাতে এসেছে। যাতে বলা আছে, এই চুক্তির আওতায় আসা দেশগুলোতে আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত স্বাস্থ্য সহায়তা দেওয়া হবে। এইচআইভির মতো রোগগুলোতে মার্কিন সহায়তা মিলবে।
তবে চুক্তির খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, দেশগুলোকে আগামী ২৫ বছর তাদের স্বাস্থ্যের ডেটা দিতে হবে। বিশেষ করে কোনো ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও জীবাণুর ক্ষেত্রে আমেরিকাকে তথ্য দিতে বাধ্য থাকবে এসব দেশ। পরবর্তী মহামারি রুখতেই এই পথে হাঁটছে মার্কিন প্রশাসন–এমনটাই বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
চুক্তিতে বলা আছে, কোনো সংক্রমণ শুরু হলে পাঁচ দিনের মধ্যে জীবাণু ও জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের তথ্য দিতে হবে দেশগুলোকে।
কিন্তু এসব তথ্য পেয়ে এরপর কোনো টিকা বানানো হলে বা ওষুধ আবিষ্কার করলে সেগুলো সরবরাহ করা হবে কি না, সে ব্যাপারে পরিষ্কার করে কিছু বলা হয়নি চুক্তিতে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্য সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে আমেরিকা। ট্রাম্প প্রশাসন আসার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এবার সেই অবস্থান থেকে সরে আসছে দেশটি। তবে এ জন্য দেশগুলোকে আসতে হবে চুক্তির আওতায়।
আমেরিকা চাইছে, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন ডেটা, বিশেষ করে জীবাণু নিয়ে। এসব জীবাণুর তথ্য দিলেই মিলবে মার্কিন স্বাস্থ্য সহায়তা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি সরকারি নথি তাদের হাতে এসেছে। যাতে বলা আছে, এই চুক্তির আওতায় আসা দেশগুলোতে আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত স্বাস্থ্য সহায়তা দেওয়া হবে। এইচআইভির মতো রোগগুলোতে মার্কিন সহায়তা মিলবে।
তবে চুক্তির খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, দেশগুলোকে আগামী ২৫ বছর তাদের স্বাস্থ্যের ডেটা দিতে হবে। বিশেষ করে কোনো ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও জীবাণুর ক্ষেত্রে আমেরিকাকে তথ্য দিতে বাধ্য থাকবে এসব দেশ। পরবর্তী মহামারি রুখতেই এই পথে হাঁটছে মার্কিন প্রশাসন–এমনটাই বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
চুক্তিতে বলা আছে, কোনো সংক্রমণ শুরু হলে পাঁচ দিনের মধ্যে জীবাণু ও জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের তথ্য দিতে হবে দেশগুলোকে।
কিন্তু এসব তথ্য পেয়ে এরপর কোনো টিকা বানানো হলে বা ওষুধ আবিষ্কার করলে সেগুলো সরবরাহ করা হবে কি না, সে ব্যাপারে পরিষ্কার করে কিছু বলা হয়নি চুক্তিতে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।