চরচা ডেস্ক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক অটোরিকশা চালককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হামলায়ে আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোহাম্মদপুর নবীনগর হাউজিং এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত রাসেল মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাসিন্দা। তবে পরিবার নিয়ে রাজধানীর চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকায় বসবাস করতেন।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পুলিশ জানায়, গত শনিবার রাতে গ্যারেজ থেকে ফিরে রাসেল তার দুই বন্ধুকে নিয়ে বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। নবীনগর হাউজিংয়ের ৪ নম্বর রোডের একটি বাসার সামনে পৌঁছালে ১৫-২০ জন সশস্ত্র দুর্বৃত্তেরা হামলা চালায়।
স্থানীয়রা উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাসেল মারা যান। আহত রিয়াদ ও বিপ্লব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহত রাসেলের বাবা আফছার আলম বলেন, “আগে থেকেই ওদের সাথে শত্রুতা ছিল। সুযোগ পেয়ে তারা আমার ছেলেকে মেরে ফেলল। আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।”
মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক অহিদুল ইসলাম জানান, নিহতের বাবা আফছার আলম বাদী হয়ে সাতজনের নামসহ অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ঘটনার পরপরই মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসান বাবু ও মোবারক নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক অটোরিকশা চালককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হামলায়ে আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোহাম্মদপুর নবীনগর হাউজিং এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত রাসেল মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাসিন্দা। তবে পরিবার নিয়ে রাজধানীর চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকায় বসবাস করতেন।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পুলিশ জানায়, গত শনিবার রাতে গ্যারেজ থেকে ফিরে রাসেল তার দুই বন্ধুকে নিয়ে বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। নবীনগর হাউজিংয়ের ৪ নম্বর রোডের একটি বাসার সামনে পৌঁছালে ১৫-২০ জন সশস্ত্র দুর্বৃত্তেরা হামলা চালায়।
স্থানীয়রা উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাসেল মারা যান। আহত রিয়াদ ও বিপ্লব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহত রাসেলের বাবা আফছার আলম বলেন, “আগে থেকেই ওদের সাথে শত্রুতা ছিল। সুযোগ পেয়ে তারা আমার ছেলেকে মেরে ফেলল। আমার ছেলের হত্যার বিচার চাই।”
মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক অহিদুল ইসলাম জানান, নিহতের বাবা আফছার আলম বাদী হয়ে সাতজনের নামসহ অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ঘটনার পরপরই মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসান বাবু ও মোবারক নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।