চরচা প্রতিবেদক

মশার যন্ত্রণা থেকে নগরবাসীকে মুক্ত করতে সরকার নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আজ বুধবার রাজধানীর ধলপুর এলাকায় দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মশক নিধন ওষুধের কার্যকারিতা, পরীক্ষা ও কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।
মশার যন্ত্রণা থেকে দ্রুত নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করছে জানিয়ে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, মশা ভয়াবহভাবে বেড়েছে, কথাটা সত্য। মশার ঝুঁকি এড়াতে আগে থেকেই নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা, আমরা কিন্তু তারপরে ক্ষমতায় এসেছি এবং শপথ নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। মাত্র সাত দিন চলে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েই মশা নিধনের জন্য গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি।”
তিনি বলেন, আমদানি করা ওষুধের বেশ কিছু স্যাম্পল নেওয়া হয়েছে। এগুলোর কার্যকারিতা দ্রুততম সময়ে পরীক্ষা করা হবে। ওষুধের কার্যকারিতা না থাকলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওষুধের কার্যকারিতা ঠিক থাকবে–এমন আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, মশার যন্ত্রণায় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
সরকারের পাশাপাশি জনগণকে এ কার্যক্রমে সহায়তার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, আবাসিক এলাকায় পানি জমে থাকে, এমন জায়গাগুলোতে নগরবাসীকে বিশেষ নজর ও পরিষ্কার রাখতে হবে।

মশার যন্ত্রণা থেকে নগরবাসীকে মুক্ত করতে সরকার নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আজ বুধবার রাজধানীর ধলপুর এলাকায় দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মশক নিধন ওষুধের কার্যকারিতা, পরীক্ষা ও কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।
মশার যন্ত্রণা থেকে দ্রুত নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করছে জানিয়ে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, মশা ভয়াবহভাবে বেড়েছে, কথাটা সত্য। মশার ঝুঁকি এড়াতে আগে থেকেই নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা, আমরা কিন্তু তারপরে ক্ষমতায় এসেছি এবং শপথ নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। মাত্র সাত দিন চলে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েই মশা নিধনের জন্য গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি।”
তিনি বলেন, আমদানি করা ওষুধের বেশ কিছু স্যাম্পল নেওয়া হয়েছে। এগুলোর কার্যকারিতা দ্রুততম সময়ে পরীক্ষা করা হবে। ওষুধের কার্যকারিতা না থাকলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওষুধের কার্যকারিতা ঠিক থাকবে–এমন আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, মশার যন্ত্রণায় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ডেঙ্গু মোকাবিলায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
সরকারের পাশাপাশি জনগণকে এ কার্যক্রমে সহায়তার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, আবাসিক এলাকায় পানি জমে থাকে, এমন জায়গাগুলোতে নগরবাসীকে বিশেষ নজর ও পরিষ্কার রাখতে হবে।