চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দলটির সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দিনের আপিল শুনানিতে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। কমিশন জানায়, মামলা নিষ্পত্তি থাকায় তার আপিল মঞ্জুর করা হলো।
এদিকে, শুনানি শেষে মাহমুদুর রহমান মান্নার আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, ‘‘মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা খুবই খেলো কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিল। তারা দুটি গ্রাউন্ডে বলে যে, মান্না সাহেব তার মামলার ব্যাপারে তথ্য গোপন করেছে। আসলে ব্যাপার হচ্ছে তার নামে দুটি মামলা ছিল। সেটি ফাইনাল রিপোর্ট হয়েছে। কাজেই তিনি অভিযুক্ত কখনোই হননি। আরেকটা হচ্ছে এফিডেভিডে (হলফনামায়) একটা সিগনেচার দুই পাতায় দুটি ডেটের একটা গড়মিল হয়েছে। এটা আরপিও ১৯৭২ এর আর্টিকেল ১৪ সাব আর্টিকেল ৩ডি তে আছে যে, এই ধরনের ছোটোখাটো মামুলি ভুল নির্বাচন কমিশনে গ্রহণ করে নিতে হয়। সুতরাং এখন থেকে মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ আসনের একজন বৈধ প্রার্থী।’’
গত ২ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান জানান, বগুড়া-২ আসনের প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্নার হলফনামায় নানা অসঙ্গতি রয়েছে। তিনি হলফনামায় ফৌজদারি মামলার কোনো তথ্য দেননি। হলফনামায় যে এফিডেভিট দিয়েছেন তা সম্পাদনের এক দিন পর তিনি স্বাক্ষর করেছেন। তিনি সম্পদ বিবরণীর ফরম দাখিল করেননি। এসব অসংগতির কারণে তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দলটির সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দিনের আপিল শুনানিতে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। কমিশন জানায়, মামলা নিষ্পত্তি থাকায় তার আপিল মঞ্জুর করা হলো।
এদিকে, শুনানি শেষে মাহমুদুর রহমান মান্নার আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, ‘‘মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা খুবই খেলো কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিল। তারা দুটি গ্রাউন্ডে বলে যে, মান্না সাহেব তার মামলার ব্যাপারে তথ্য গোপন করেছে। আসলে ব্যাপার হচ্ছে তার নামে দুটি মামলা ছিল। সেটি ফাইনাল রিপোর্ট হয়েছে। কাজেই তিনি অভিযুক্ত কখনোই হননি। আরেকটা হচ্ছে এফিডেভিডে (হলফনামায়) একটা সিগনেচার দুই পাতায় দুটি ডেটের একটা গড়মিল হয়েছে। এটা আরপিও ১৯৭২ এর আর্টিকেল ১৪ সাব আর্টিকেল ৩ডি তে আছে যে, এই ধরনের ছোটোখাটো মামুলি ভুল নির্বাচন কমিশনে গ্রহণ করে নিতে হয়। সুতরাং এখন থেকে মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ আসনের একজন বৈধ প্রার্থী।’’
গত ২ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান জানান, বগুড়া-২ আসনের প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্নার হলফনামায় নানা অসঙ্গতি রয়েছে। তিনি হলফনামায় ফৌজদারি মামলার কোনো তথ্য দেননি। হলফনামায় যে এফিডেভিট দিয়েছেন তা সম্পাদনের এক দিন পর তিনি স্বাক্ষর করেছেন। তিনি সম্পদ বিবরণীর ফরম দাখিল করেননি। এসব অসংগতির কারণে তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল।