চরচা প্রতিবেদক

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে তার শারীরিক অবস্থার আগের চেয়ে কিছুটা ভালো। এ তথ্য জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক।
গত রোববার রাতে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সেখানে ভর্তি করা হয়। এভারকেয়ার হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধায়নে আছেন তিনি।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য বলেন বলেন, ‘‘ম্যাডামের নিউমোনিয়া হয়েছে। চিকিৎসা চলছে। নিউমোনিয়া ছাড়াও মাল্টি ডিজিস জটিলতা কিছুটা বেড়েছে। বয়েসের কারণে চাইলেও সব চিকিৎসা একসঙ্গে নেওয়া যাচ্ছে না। ঝুঁকি থেকে যায়। বেশ কয়েকটি পরীক্ষা হয়েছে। ভালো-খারাপ দুটোই আছে।’’
বিএনপি চেয়ারপারসনের জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের আরও একজন সদস্য বলেন, হার্ট ও ফুসফুস দুটোই একসঙ্গে আক্রান্ত হওয়াতে ম্যাডামের খুব শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা হচ্ছিল।
চিকিৎসকরা বলছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনকে সবমিলিয়ে সপ্তাহখানেক হাসপাতালে থাকতে হবে। শুক্রবার সশস্ত্র বাহিনীর অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে থেকেই তিনি ঠান্ডা ও কাশিতে ভুগছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে তার শারীরিক অবস্থার আগের চেয়ে কিছুটা ভালো। এ তথ্য জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক।
গত রোববার রাতে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সেখানে ভর্তি করা হয়। এভারকেয়ার হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধায়নে আছেন তিনি।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের একজন সদস্য বলেন বলেন, ‘‘ম্যাডামের নিউমোনিয়া হয়েছে। চিকিৎসা চলছে। নিউমোনিয়া ছাড়াও মাল্টি ডিজিস জটিলতা কিছুটা বেড়েছে। বয়েসের কারণে চাইলেও সব চিকিৎসা একসঙ্গে নেওয়া যাচ্ছে না। ঝুঁকি থেকে যায়। বেশ কয়েকটি পরীক্ষা হয়েছে। ভালো-খারাপ দুটোই আছে।’’
বিএনপি চেয়ারপারসনের জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের আরও একজন সদস্য বলেন, হার্ট ও ফুসফুস দুটোই একসঙ্গে আক্রান্ত হওয়াতে ম্যাডামের খুব শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা হচ্ছিল।
চিকিৎসকরা বলছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনকে সবমিলিয়ে সপ্তাহখানেক হাসপাতালে থাকতে হবে। শুক্রবার সশস্ত্র বাহিনীর অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে থেকেই তিনি ঠান্ডা ও কাশিতে ভুগছিলেন।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।