চরচা ডেস্ক

আমেরিকার প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ ভারতীয় বংশোদ্ভূত নীতি বিশ্লেষক অ্যাশলি জে টেলিসকে গোপন সরকারি নথি অবৈধভাবে নিজের কাছে রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ভার্জিনিয়ার ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের ইউএস অ্যাটর্নির কার্যালয় খবরটি নিশ্চিত করেছে বলে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
টেলিস ওয়াশিংটন ডিসির থিঙ্ক ট্যাঙ্ক কার্নেগি এনডাওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস-এর সিনিয়র ফেলো এবং টাটা চেয়ার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যাফেয়ার্স পদে কর্মরত।
গত সপ্তাহের শেষে তদন্তের পর টেলিসকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, তিনি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সংবেদনশীল তথ্য বেআইনিভাবে নিজের কাছে রেখে আইন লঙ্ঘন করেছেন। এই ধরনের নথি সুরক্ষিত স্থান থেকে অপসারণের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ইউএস অ্যাটর্নি লিন্ডসে হ্যালিগান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, অভিযুক্তের এই কর্মকাণ্ড "আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য গুরুতর ঝুঁকি" তৈরি করেছে। যদি টেলিস দোষী সাব্যস্ত হন, তবে তার সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং দুই লাখ ৫০ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে।
অ্যাশলি টেলিস দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ক নিয়ে ওয়াশিংটনের বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করতেন।
মামলার পরবর্তী শুনানিতে একজন ফেডারেল বিচারক তার জামিনের শর্ত নির্ধারণ করবেন। তবে সরকার জোর দিয়ে বলেছে, এটি একটি অভিযোগ মাত্র এবং দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত টেলিসকে নির্দোষ হিসেবে গণ্য করা হবে।

আমেরিকার প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ ভারতীয় বংশোদ্ভূত নীতি বিশ্লেষক অ্যাশলি জে টেলিসকে গোপন সরকারি নথি অবৈধভাবে নিজের কাছে রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ভার্জিনিয়ার ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের ইউএস অ্যাটর্নির কার্যালয় খবরটি নিশ্চিত করেছে বলে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
টেলিস ওয়াশিংটন ডিসির থিঙ্ক ট্যাঙ্ক কার্নেগি এনডাওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিস-এর সিনিয়র ফেলো এবং টাটা চেয়ার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যাফেয়ার্স পদে কর্মরত।
গত সপ্তাহের শেষে তদন্তের পর টেলিসকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, তিনি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সংবেদনশীল তথ্য বেআইনিভাবে নিজের কাছে রেখে আইন লঙ্ঘন করেছেন। এই ধরনের নথি সুরক্ষিত স্থান থেকে অপসারণের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ইউএস অ্যাটর্নি লিন্ডসে হ্যালিগান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, অভিযুক্তের এই কর্মকাণ্ড "আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য গুরুতর ঝুঁকি" তৈরি করেছে। যদি টেলিস দোষী সাব্যস্ত হন, তবে তার সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং দুই লাখ ৫০ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে।
অ্যাশলি টেলিস দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ক নিয়ে ওয়াশিংটনের বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করতেন।
মামলার পরবর্তী শুনানিতে একজন ফেডারেল বিচারক তার জামিনের শর্ত নির্ধারণ করবেন। তবে সরকার জোর দিয়ে বলেছে, এটি একটি অভিযোগ মাত্র এবং দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত টেলিসকে নির্দোষ হিসেবে গণ্য করা হবে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।