রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) এলাকায় আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ চলবে। এবারের ক্যাম্পেইনে রাজশাহী মহানগরীর মোট ৫৪ হাজার ১৪৪ শিশুকে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার দুপুরে নগর ভবনের সিটি হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
রাসিক প্রশাসক জানান, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত মোট ১৪ কর্মদিবসে রাজশাহী মহানগরীতে এই কর্মসূচি পরিচালিত হবে। এর মধ্যে কমিউনিটি পর্যায়ে ৪৫ হাজার ৬২৩ জন এবং স্কুল পর্যায়ে ৮ হাজার ৫২১ জন শিশুকে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নগরীর ২৮৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ২৪০টি কমিউনিটি কেন্দ্র এবং ৬টি স্থায়ী কেন্দ্রে এই টিকাদান কর্মসূচি পালন করা হবে। কার্যক্রমটি সফল করতে প্রতিটি অস্থায়ী কেন্দ্রে দুজন টিকাদানকারী ও তিনজন স্বেচ্ছাসেবী এবং প্রতিটি স্থায়ী কেন্দ্রে একজন টিকাদানকারী ও একজন স্বেচ্ছাসেবী কাজ করবেন।
মাহফুজুর রহমান রিটন আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি হাম রোগ প্রতিরোধে প্রায় ৭০ হাজার জনসচেতনতামূলক লিফলেট প্রস্তুত করে বিতরণের ব্যবস্থা করেছেন। সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এসব লিফলেট পৌঁছে দিচ্ছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সকলের সহযোগিতায় রাজশাহী নগরীতে হাম রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে এবং এজন্য প্রতিটি পরিবারের অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে এই টিকা প্রদান করা হবে। আগে শিশু টিকা পেয়ে থাকলেও অথবা হাম বা রুবেলা রোগে আক্রান্ত হলেও এই ক্যাম্পেইন চলাকালীন তাকে এক ডোজ এমআর টিকা নিতে হবে। টিকা গ্রহণের জন্য ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে ইপিআই ভ্যাকসিনেশন অ্যাপের (VAXEPI) মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তবে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ছাড়াও সরাসরি কেন্দ্রে গিয়ে টিকা গ্রহণের সুযোগ থাকছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে এবং স্কুল-বহির্ভূত শিশুদের নিকটস্থ কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। এছাড়া টিকা নেওয়ার পর VAXEPI অ্যাপ থেকে টিকার সনদও ডাউনলোড করা যাবে।
রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. হাবিবুর রহমান বক্তব্য রাখেন। সংবাদ সম্মেলনে সার্বিক তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন রাসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম।

রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) এলাকায় আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ চলবে। এবারের ক্যাম্পেইনে রাজশাহী মহানগরীর মোট ৫৪ হাজার ১৪৪ শিশুকে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার দুপুরে নগর ভবনের সিটি হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
রাসিক প্রশাসক জানান, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত মোট ১৪ কর্মদিবসে রাজশাহী মহানগরীতে এই কর্মসূচি পরিচালিত হবে। এর মধ্যে কমিউনিটি পর্যায়ে ৪৫ হাজার ৬২৩ জন এবং স্কুল পর্যায়ে ৮ হাজার ৫২১ জন শিশুকে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নগরীর ২৮৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ২৪০টি কমিউনিটি কেন্দ্র এবং ৬টি স্থায়ী কেন্দ্রে এই টিকাদান কর্মসূচি পালন করা হবে। কার্যক্রমটি সফল করতে প্রতিটি অস্থায়ী কেন্দ্রে দুজন টিকাদানকারী ও তিনজন স্বেচ্ছাসেবী এবং প্রতিটি স্থায়ী কেন্দ্রে একজন টিকাদানকারী ও একজন স্বেচ্ছাসেবী কাজ করবেন।
মাহফুজুর রহমান রিটন আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি হাম রোগ প্রতিরোধে প্রায় ৭০ হাজার জনসচেতনতামূলক লিফলেট প্রস্তুত করে বিতরণের ব্যবস্থা করেছেন। সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এসব লিফলেট পৌঁছে দিচ্ছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সকলের সহযোগিতায় রাজশাহী নগরীতে হাম রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে এবং এজন্য প্রতিটি পরিবারের অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে এই টিকা প্রদান করা হবে। আগে শিশু টিকা পেয়ে থাকলেও অথবা হাম বা রুবেলা রোগে আক্রান্ত হলেও এই ক্যাম্পেইন চলাকালীন তাকে এক ডোজ এমআর টিকা নিতে হবে। টিকা গ্রহণের জন্য ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে ইপিআই ভ্যাকসিনেশন অ্যাপের (VAXEPI) মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তবে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ছাড়াও সরাসরি কেন্দ্রে গিয়ে টিকা গ্রহণের সুযোগ থাকছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে এবং স্কুল-বহির্ভূত শিশুদের নিকটস্থ কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। এছাড়া টিকা নেওয়ার পর VAXEPI অ্যাপ থেকে টিকার সনদও ডাউনলোড করা যাবে।
রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. হাবিবুর রহমান বক্তব্য রাখেন। সংবাদ সম্মেলনে সার্বিক তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন রাসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম।