চরচা ডেস্ক

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণের’ অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মামলা হলে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গতকাল বুধবার সকালে ভুক্তভোগী নারী বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করেন। এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
অভিযুক্তরা হলেন- বিশ্বনাথ উপজেলার হায়াতেরগাঁও গ্রামের গয়াছ মিয়া গেদা ও সাইদুর রহমান, আলমনগরের আশিক মিয়া এবং বটতলার আমির আলী।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে চার জনের নাম উল্লেখসহ আরও একজনের বিরুদ্ধে বিশ্বনাথ থানায় মামলা করেছেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান আসামি গয়াছ মিয়া গেদাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার তথ্য সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ভুক্তভোগী নারী সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল এলাকা থেকে ছাতকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন। অটোরিকশাচালক সাইদুর রহমান তাকে গন্তব্যে না নিয়ে কৌশলে বিশ্বনাথের আলমনগর গ্রামের মন্তাজ আলীর বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে চালক ও তার সহযোগীরা ওই নারীকে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।
পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি গয়াছ মিয়া গেদাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, “সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে এবং প্রধান আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের ধরতে পুলিশের রেইড টিম কাজ করছে।”

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণের’ অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মামলা হলে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গতকাল বুধবার সকালে ভুক্তভোগী নারী বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করেন। এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
অভিযুক্তরা হলেন- বিশ্বনাথ উপজেলার হায়াতেরগাঁও গ্রামের গয়াছ মিয়া গেদা ও সাইদুর রহমান, আলমনগরের আশিক মিয়া এবং বটতলার আমির আলী।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে চার জনের নাম উল্লেখসহ আরও একজনের বিরুদ্ধে বিশ্বনাথ থানায় মামলা করেছেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান আসামি গয়াছ মিয়া গেদাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মামলার তথ্য সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ভুক্তভোগী নারী সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল এলাকা থেকে ছাতকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন। অটোরিকশাচালক সাইদুর রহমান তাকে গন্তব্যে না নিয়ে কৌশলে বিশ্বনাথের আলমনগর গ্রামের মন্তাজ আলীর বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে চালক ও তার সহযোগীরা ওই নারীকে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।
পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি গয়াছ মিয়া গেদাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, “সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে এবং প্রধান আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের ধরতে পুলিশের রেইড টিম কাজ করছে।”

তিনি বলেন, "নিশ্চয়ই কিছু গোষ্ঠী সরকারকে বিব্রত করতে চায়। তারা পরিচয় গোপন করে বিভিন্ন ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। বিষয়টি এখন স্পষ্ট। আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেকেই প্রকৃতপক্ষে ছাত্র বা পরীক্ষার্থী নন।"