সিলেট প্রতিনিধি

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসক, মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও এর সামনের এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ছয়জন আহত হয়েছেন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে ওসমানী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা অনির্দিষ্টকালের একাডেমিক শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।
ঘটনার পর রাত আড়াইটার দিকে পৃথক বিবৃতিতে ইন্টার্ন ডক্টরস ফোরাম ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “কর্তব্যরত চিকিৎসকের ওপর হামলা শুধু একজন চিকিৎসকের ওপর আঘাত নয়, বরং পুরো স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কার্যক্রমের ওপর আঘাত।”
কর্মস্থলে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব বলেও তারা উল্লেখ করেন।
ইন্টার্ন ডক্টরস ফোরাম হামলায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। দাবি বাস্তবায়ন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসক তাসপিয়ানুল হক ও রেজা নিলয়। এছাড়া নগরের বালুচর এলাকার আবরার হোসেন ও জাহিদ, মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী এবং রোগীর আরেক স্বজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এক শিশুরোগীকে নিয়ে কয়েকজন স্বজন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন। এ সময় দায়িত্বে থাকা এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তিতে রূপ নেয়।
মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি, রোগীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা বাইরে থেকে আরও লোকজন এনে ওই ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধর করেন। খবর পেয়ে অন্য ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অন্তত ছয়জন আহত হন। পরে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মাইনুল জাকির বলেন, “ঘটনাস্থলে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসক, মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও এর সামনের এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ছয়জন আহত হয়েছেন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে ওসমানী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা অনির্দিষ্টকালের একাডেমিক শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।
ঘটনার পর রাত আড়াইটার দিকে পৃথক বিবৃতিতে ইন্টার্ন ডক্টরস ফোরাম ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “কর্তব্যরত চিকিৎসকের ওপর হামলা শুধু একজন চিকিৎসকের ওপর আঘাত নয়, বরং পুরো স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কার্যক্রমের ওপর আঘাত।”
কর্মস্থলে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব বলেও তারা উল্লেখ করেন।
ইন্টার্ন ডক্টরস ফোরাম হামলায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। দাবি বাস্তবায়ন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসক তাসপিয়ানুল হক ও রেজা নিলয়। এছাড়া নগরের বালুচর এলাকার আবরার হোসেন ও জাহিদ, মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী এবং রোগীর আরেক স্বজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এক শিশুরোগীকে নিয়ে কয়েকজন স্বজন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন। এ সময় দায়িত্বে থাকা এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তিতে রূপ নেয়।
মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি, রোগীর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা বাইরে থেকে আরও লোকজন এনে ওই ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধর করেন। খবর পেয়ে অন্য ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অন্তত ছয়জন আহত হন। পরে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মাইনুল জাকির বলেন, “ঘটনাস্থলে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”