চরচা প্রতিবেদক

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এটিএম বিভাগের সাবেক কার্টেগ্রাফার মো. আব্দুস সোবহানের স্ত্রী মিসেস সালমার আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে এ আদেশ দেওয়া হয়।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহবুব মোর্শেদ আদালতে আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আব্দুস সোবহান বিমানের এটিএম বিভাগে কর্মরত থাকাকালে তার স্ত্রী সালমার নামে ৪৬ লাখ ২০ হাজার ৩৮৭ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ১৯ লাখ ৩২ হাজার ৩১৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে, যা অসাধু উপায়ে অর্জিত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
দুদকের দাবি, এসব সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলাটি তদন্তাধীন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আয়কর নথি সংগ্রহ প্রয়োজন হলেও আয়কর আইন–২০২৩ অনুযায়ী আদালতের অনুমতি ছাড়া এসব গোপন নথি সংগ্রহ করা সম্ভব নয়।
শুনানি শেষে আদালত কর অঞ্চল-৮ ও ৯ এর সংশ্লিষ্ট সার্কেলগুলোকে সালমার আয়কর নথি দুদকের জিম্মায় হস্তান্তরের নির্দেশ দেন।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এটিএম বিভাগের সাবেক কার্টেগ্রাফার মো. আব্দুস সোবহানের স্ত্রী মিসেস সালমার আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে এ আদেশ দেওয়া হয়।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহবুব মোর্শেদ আদালতে আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আব্দুস সোবহান বিমানের এটিএম বিভাগে কর্মরত থাকাকালে তার স্ত্রী সালমার নামে ৪৬ লাখ ২০ হাজার ৩৮৭ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ১৯ লাখ ৩২ হাজার ৩১৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে, যা অসাধু উপায়ে অর্জিত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
দুদকের দাবি, এসব সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলাটি তদন্তাধীন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আয়কর নথি সংগ্রহ প্রয়োজন হলেও আয়কর আইন–২০২৩ অনুযায়ী আদালতের অনুমতি ছাড়া এসব গোপন নথি সংগ্রহ করা সম্ভব নয়।
শুনানি শেষে আদালত কর অঞ্চল-৮ ও ৯ এর সংশ্লিষ্ট সার্কেলগুলোকে সালমার আয়কর নথি দুদকের জিম্মায় হস্তান্তরের নির্দেশ দেন।