চরচা প্রতিবেদক

দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান চলমান থাকা পেট্রোবাংলার পরিচালক রফিকুল ইসলাম এবং রাষ্ট্র মালিকানাধীন ফার্মাসিউটিক্যালস এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আ: সামাদ মৃধার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত দুদকের পৃথক দুই আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক পিয়াস পাল অভিযোগ সংশ্লিষ্ট রফিকুল ইসলামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে, দুদকের সরকারি পরিচালক নুরুল ইসলাম অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সামাদ মৃধার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট মো. আ. সামাদ মৃধা ইডিসিএল এর বিভিন্ন ক্রয়ে কোটি কোটি টাকার টেন্ডার বাণিজ্য করে অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশ পাচার করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কার্যক্রম দীর্ঘায়িত বা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমতাবস্থায় অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সামাদ মৃধা কোটি কোটি টাকার টেন্ডার বাণিজ্য করে অর্থ আত্মসাত করে বিদেশ পাচার করে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য তার বিদেশ গমন রহিত করা হয়।
রফিকুল ইসলামের আবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন দুর্নীতি, অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ/পুন: সংযোগ ও গ্যাস বিল মওকুফ, নিয়োগ, পদোন্নতি ও ঠিকাদারের বিল প্রদান ও বিদেশীদের দেশের গ্যাস মজুদ সংক্রান্ত তথ্য বিক্রির মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এর প্রেক্ষিতে অনুসন্ধান চলমান। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দেশ ছেড়ে বিদেশে পালাতে পারেন বলে অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একান্ত প্রয়োজন।
অন্যদিকে, সামাদ মৃধার আবেদনে বলা হয়, পারস্পরিক যোগসাজশে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে ২ সদস্য বিশিষ্ট একটি অনুসন্ধান দলের নেতৃত্বে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।

দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান চলমান থাকা পেট্রোবাংলার পরিচালক রফিকুল ইসলাম এবং রাষ্ট্র মালিকানাধীন ফার্মাসিউটিক্যালস এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আ: সামাদ মৃধার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত দুদকের পৃথক দুই আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক পিয়াস পাল অভিযোগ সংশ্লিষ্ট রফিকুল ইসলামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে, দুদকের সরকারি পরিচালক নুরুল ইসলাম অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সামাদ মৃধার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট মো. আ. সামাদ মৃধা ইডিসিএল এর বিভিন্ন ক্রয়ে কোটি কোটি টাকার টেন্ডার বাণিজ্য করে অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশ পাচার করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কার্যক্রম দীর্ঘায়িত বা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমতাবস্থায় অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সামাদ মৃধা কোটি কোটি টাকার টেন্ডার বাণিজ্য করে অর্থ আত্মসাত করে বিদেশ পাচার করে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য তার বিদেশ গমন রহিত করা হয়।
রফিকুল ইসলামের আবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন দুর্নীতি, অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ/পুন: সংযোগ ও গ্যাস বিল মওকুফ, নিয়োগ, পদোন্নতি ও ঠিকাদারের বিল প্রদান ও বিদেশীদের দেশের গ্যাস মজুদ সংক্রান্ত তথ্য বিক্রির মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এর প্রেক্ষিতে অনুসন্ধান চলমান। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দেশ ছেড়ে বিদেশে পালাতে পারেন বলে অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একান্ত প্রয়োজন।
অন্যদিকে, সামাদ মৃধার আবেদনে বলা হয়, পারস্পরিক যোগসাজশে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে ২ সদস্য বিশিষ্ট একটি অনুসন্ধান দলের নেতৃত্বে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে।