রাজশাহী প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় একটি মাদ্রাসায় যৌন নির্যাতনের শিকার এক শিশুকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি করা হয়েছে। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ১০ বছর বয়সী শিশুটির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। এই ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত সোমবার সকালে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার রাতেই শিশুটির মা বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় এই ঘটনায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম বলেন, মামলার পর অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসার পরিচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে মঙ্গলবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগী শিশুর মা জানান, সাত-আট মাস আগে তিনি তার মেয়েকে ভেড়ামারার জামিলতুন্নেসা হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি করেছিলেন। গত মাসের ১১ তারিখ তিনি মেয়েকে সেখানে রেখে আসেন। গত রোববার (১৫ মার্চ) ঈদের ছুটিতে মেয়েকে বাড়ি নিতে মাদ্রাসায় যান তিনি। তখন মেয়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। এসময় শিশুর পেট এবং বাম পা অস্বাভাবিক ফোলা ছিল।
ভুক্তভোগীর মা বলেন, ‘‘মেয়েটি মানসিকভাবে এতটাই ভেঙে পড়েছিল যে মানুষকে দেখলেই ভয় পাচ্ছিল এবং কারো সাথে কথা বলছিল না। পরে কুষ্টিয়ায় আল্ট্রাসনোগ্রাম করার পর মেয়ের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে সোমবার সকালে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।’’
শিশুটির মায়ের অভিযোগ, তার মেয়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। তার মেয়ে তাকে জানিয়েছিল, তাকে মারধর করা হয়েছে এবং ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে, এরপর কী হয়েছে তা সে আর মনে করতে পারছে না। গত সোমবার বিকেলের পর থেকে শিশুটি আর কোনো কথা বলছে না।
ভুক্তভোগী শিশুর মা দাবি করেন, মাদ্রাসার হুজুরের লোকজন টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করেছে এবং তাদের হুমকি দিয়েছে। তিনি এই ঘটনার বিচার ও দোষীদের ফাঁসি দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমি যদি ঈদের ছুটিতে ওকে নিতে না যেতাম, তবে আমার মেয়ে মারাই যেত।’’
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র শঙ্কর কে বিশ্বাস বলেন, শিশুটি বর্তমানে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই এবং প্রচণ্ড মানসিক আতঙ্কে রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং তার অবস্থা বর্তমানে সংকটাপন্ন।
প্রাথমিক পরীক্ষায় যৌন নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে জানিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ল্যাব টেস্টের রিপোর্ট হাতে পেলে বিষয়টি সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় একটি মাদ্রাসায় যৌন নির্যাতনের শিকার এক শিশুকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি করা হয়েছে। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ১০ বছর বয়সী শিশুটির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। এই ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত সোমবার সকালে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার রাতেই শিশুটির মা বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় এই ঘটনায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম বলেন, মামলার পর অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসার পরিচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে মঙ্গলবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগী শিশুর মা জানান, সাত-আট মাস আগে তিনি তার মেয়েকে ভেড়ামারার জামিলতুন্নেসা হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি করেছিলেন। গত মাসের ১১ তারিখ তিনি মেয়েকে সেখানে রেখে আসেন। গত রোববার (১৫ মার্চ) ঈদের ছুটিতে মেয়েকে বাড়ি নিতে মাদ্রাসায় যান তিনি। তখন মেয়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। এসময় শিশুর পেট এবং বাম পা অস্বাভাবিক ফোলা ছিল।
ভুক্তভোগীর মা বলেন, ‘‘মেয়েটি মানসিকভাবে এতটাই ভেঙে পড়েছিল যে মানুষকে দেখলেই ভয় পাচ্ছিল এবং কারো সাথে কথা বলছিল না। পরে কুষ্টিয়ায় আল্ট্রাসনোগ্রাম করার পর মেয়ের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে সোমবার সকালে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।’’
শিশুটির মায়ের অভিযোগ, তার মেয়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। তার মেয়ে তাকে জানিয়েছিল, তাকে মারধর করা হয়েছে এবং ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে, এরপর কী হয়েছে তা সে আর মনে করতে পারছে না। গত সোমবার বিকেলের পর থেকে শিশুটি আর কোনো কথা বলছে না।
ভুক্তভোগী শিশুর মা দাবি করেন, মাদ্রাসার হুজুরের লোকজন টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করেছে এবং তাদের হুমকি দিয়েছে। তিনি এই ঘটনার বিচার ও দোষীদের ফাঁসি দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমি যদি ঈদের ছুটিতে ওকে নিতে না যেতাম, তবে আমার মেয়ে মারাই যেত।’’
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র শঙ্কর কে বিশ্বাস বলেন, শিশুটি বর্তমানে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই এবং প্রচণ্ড মানসিক আতঙ্কে রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং তার অবস্থা বর্তমানে সংকটাপন্ন।
প্রাথমিক পরীক্ষায় যৌন নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে জানিয়ে এই চিকিৎসক বলেন, আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ল্যাব টেস্টের রিপোর্ট হাতে পেলে বিষয়টি সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় একটি মাদ্রাসায় যৌন নির্যাতনের শিকার এক শিশুকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) ভর্তি করা হয়েছে। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ১০ বছর বয়সী শিশুটির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। এই ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।