চরচা ডেস্ক

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ‘ইন্টারন্যাশনাল আইকিউ টেস্ট’ তাদের ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এবারের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, গড় বুদ্ধিমত্তার স্কোরে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও ভারতের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।
২০২৬ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মানুষের গড় আইকিউ (আইকিউ) স্কোর ৯৭ দশমিক ৩২। এই স্কোর নিয়ে বৈশ্বিক তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৬৩তম।
অন্যদিকে, প্রতিবেশী দেশ ভারত ৯৮ দশমিক ৪৪ স্কোর নিয়ে তালিকায় ৫০তম, যা বাংলাদেশের চেয়ে ১৩ ধাপ এগিয়ে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার আরেক দেশ পাকিস্তান বাংলাদেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। ৯৬ দশমিক ৯৩ স্কোর নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থান বর্তমানে ৭০।
এবারও এ তালিকার শীর্ষস্থানগুলো দখল করে রেখেছে পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো। ১০৬ দশমিক ৯৭ স্কোর নিয়ে ২০২৬ সালে বিশ্বের এক নম্বর মেধাবী দেশ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। বিজ্ঞান ও গণিত শিক্ষার ওপর তাদের অদম্য গুরুত্বই এই সাফল্যের চাবিকাঠি। চীন ১০৬ দশমিক ৪৮ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ১০৬ দশমিক ৩০ স্কোর নিয়ে রয়েছে তৃতীয় স্থানে জাপান। চতুর্থ স্থানে রয়েছে ইরান। দেশটির স্কোর ১০৪ দশমিক ৮০। গড় বুদ্ধিমত্তায় ইরানের চেয়ে পিছিয়ে আছে আমেরিকা ও ইসরায়েল। ১০১ দশমিক ০৪ স্কোর নিয়ে আমেরিকার অবস্থান ১৮। আর ৯৮ দশমিক ৫৭ স্কোর নিয়ে ইসরায়েলের অবস্থান ৪৮।
এ বছরের সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে ভিয়েতনাম ও অস্ট্রেলিয়া। ভিয়েতনাম আইকিউ স্কোরে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করে প্রথমবারের মতো শীর্ষ ১০-এ জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে, শক্তিশালী শিক্ষা ব্যবস্থার কল্যাণে অস্ট্রেলিয়া উঠে এসেছে পঞ্চম স্থানে।
ইন্টারন্যাশনাল আইকিউ টেস্টের এই র্যাঙ্কিং মূলত অংশগ্রহণকারীদের কয়েকটি বিশেষ দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এগুলো হলো- যৌক্তিক চিন্তা: জটিল পরিস্থিতিতে যুক্তি দিয়ে চিন্তা করার ক্ষমতা; গাণিতিক সক্ষমতা: সংখ্যাতাত্ত্বিক সমস্যা সমাধানের গতি এবং দৃশ্যমান প্যাটার্ন শনাক্তকরণ: জ্যামিতিক ও বিমূর্ত নকশা বোঝার দক্ষতা।
যদিও এই র্যাঙ্কিং মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতার একটি সাধারণ ধারণা দেয়, তবে বিশেষজ্ঞরা কিছুটা সতর্কবাণীও দিয়েছেন। তাদের মতে, কোনো দেশের গড় আইকিউ কেবল জন্মগত মেধার ওপর নির্ভর করে না; বরং শিক্ষা ব্যবস্থার মান, সাংস্কৃতিক পরিবেশ, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার এবং প্রযুক্তির সহজলভ্যতা বড় ভূমিকা পালন করে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ‘ইন্টারন্যাশনাল আইকিউ টেস্ট’ তাদের ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এবারের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, গড় বুদ্ধিমত্তার স্কোরে বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও ভারতের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।
২০২৬ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মানুষের গড় আইকিউ (আইকিউ) স্কোর ৯৭ দশমিক ৩২। এই স্কোর নিয়ে বৈশ্বিক তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৬৩তম।
অন্যদিকে, প্রতিবেশী দেশ ভারত ৯৮ দশমিক ৪৪ স্কোর নিয়ে তালিকায় ৫০তম, যা বাংলাদেশের চেয়ে ১৩ ধাপ এগিয়ে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার আরেক দেশ পাকিস্তান বাংলাদেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। ৯৬ দশমিক ৯৩ স্কোর নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থান বর্তমানে ৭০।
এবারও এ তালিকার শীর্ষস্থানগুলো দখল করে রেখেছে পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো। ১০৬ দশমিক ৯৭ স্কোর নিয়ে ২০২৬ সালে বিশ্বের এক নম্বর মেধাবী দেশ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। বিজ্ঞান ও গণিত শিক্ষার ওপর তাদের অদম্য গুরুত্বই এই সাফল্যের চাবিকাঠি। চীন ১০৬ দশমিক ৪৮ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ১০৬ দশমিক ৩০ স্কোর নিয়ে রয়েছে তৃতীয় স্থানে জাপান। চতুর্থ স্থানে রয়েছে ইরান। দেশটির স্কোর ১০৪ দশমিক ৮০। গড় বুদ্ধিমত্তায় ইরানের চেয়ে পিছিয়ে আছে আমেরিকা ও ইসরায়েল। ১০১ দশমিক ০৪ স্কোর নিয়ে আমেরিকার অবস্থান ১৮। আর ৯৮ দশমিক ৫৭ স্কোর নিয়ে ইসরায়েলের অবস্থান ৪৮।
এ বছরের সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে ভিয়েতনাম ও অস্ট্রেলিয়া। ভিয়েতনাম আইকিউ স্কোরে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করে প্রথমবারের মতো শীর্ষ ১০-এ জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে, শক্তিশালী শিক্ষা ব্যবস্থার কল্যাণে অস্ট্রেলিয়া উঠে এসেছে পঞ্চম স্থানে।
ইন্টারন্যাশনাল আইকিউ টেস্টের এই র্যাঙ্কিং মূলত অংশগ্রহণকারীদের কয়েকটি বিশেষ দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এগুলো হলো- যৌক্তিক চিন্তা: জটিল পরিস্থিতিতে যুক্তি দিয়ে চিন্তা করার ক্ষমতা; গাণিতিক সক্ষমতা: সংখ্যাতাত্ত্বিক সমস্যা সমাধানের গতি এবং দৃশ্যমান প্যাটার্ন শনাক্তকরণ: জ্যামিতিক ও বিমূর্ত নকশা বোঝার দক্ষতা।
যদিও এই র্যাঙ্কিং মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতার একটি সাধারণ ধারণা দেয়, তবে বিশেষজ্ঞরা কিছুটা সতর্কবাণীও দিয়েছেন। তাদের মতে, কোনো দেশের গড় আইকিউ কেবল জন্মগত মেধার ওপর নির্ভর করে না; বরং শিক্ষা ব্যবস্থার মান, সাংস্কৃতিক পরিবেশ, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার এবং প্রযুক্তির সহজলভ্যতা বড় ভূমিকা পালন করে।

ব্যাংকের চাকরি ছাড়ার তিন বছর পূর্ণ না হওয়ায় সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে জামায়াত জোটের এই প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মঈন উদ্দীন খান।