প্রথম সেশনটা বল হাতে দুর্দান্তই কেটেছিল বাংলাদেশের। শক্ত অবস্থানে থাকা পাকিস্তানকে অনেকটাই চাপে ফেলে দিয়েছিলেন বোলাররা। তবে পরের সেশনে ধার কমে গেছে তাদের। নতুন বল নিয়ে কিছুটা ঝলক দেখালেও পেসাররা দেখা পাননি উইকেটের। শেষ সময়ে একমাত্র সাফল্য এসেছে স্পিনার তাইজুল ইসলামের হাত ধরে। বাংলাদেশের জন্য কঠিন এক সেশনে তাই ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে পাকিস্তান।
প্রথম দুই দিনের তুলনায় ব্যাটিং করাটা বেশ কঠিন হয়ে যাচ্ছে বলেই বাংলাদেশের উচিত ছিল বোলিংয়ে আরও আগ্রাসী হওয়া। সকালে দ্রুত চার উইকেট তুলে বড় লিডের আশাও জেগেছিল। তবে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগা মিলে উল্টো পাকিস্তান শিবিরে প্রথম ইনিংসে লিডের সম্ভাবনা জাগিয়েছেন।
আর সেই সুযোগটাই তাদের তৈরি করে দিয়েছে বাংলাদেশের পেসার ও স্পিনারদের কিছুটা আলগা বোলিং। লাঞ্চ বিরতির পর যেখানে দরকার ছিল আক্রমণাত্মক বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের, সেখানে বাংলাদেশ অনেকটাই ডিফেন্সিভ পরিকল্পনা নিয়ে এগোয়। তাতে চাপ আলগা হয়ে যায় দুই ব্যাটারের ওপর। বল পুরোনো হয়ে যাওয়ার পর বিশেষ কারিকুরি দেখাতে পারেননি পাঁচ বোলারের কেউই।
যদিও নতুন বল নেওয়ার পর নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদ গতি আর বাউন্সারে কিছুটা পরীক্ষা নিয়েছেন রিজওয়ান ও সালমানের। কয়েকবার ক্যাচও উঠেছিল, তবে ভাগ্যের সহায়তাও মেলেনি। এর মধ্যে নাহিদের একটি নিচু হয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে বিট হয়েও অল্পের জন্য বোল্ড হননি রিজওয়ান।
খরুচে বোলিং করা নাহিদের এক ওভারে তিনটি চার মেরে ফিফটি তুলে নেন পাকিস্তানের উইকেটকিপার। সঙ্গে সালমানের পঞ্চাশে জুটিতে যোগ হয় ১১৯ রান, যা শেষ পর্যন্ত ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। অনেকটা এগিয়ে এসে ছক্কা মারতে গিয়ে রিজওয়ান (৫৯) ক্যাচ দেন লং-অনে।
বৃষ্টির কারণে এর ঠিক পরই খেলা বন্ধ হয়ে যায়। তার আগ পর্যন্ত পাকিস্তানের স্কোর ৬ উইকেটে ৩৪৯। এখনো তারা পিছিয়ে আছে ৬৪ রানে। সালমান অপরাজিত আছেন ৫৫ রানে।