গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ৪০ মিনিট না যেতেই সিমিনের জামিন

চরচা প্রতিবেদক
চরচা প্রতিবেদক
গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ৪০ মিনিট না যেতেই সিমিনের জামিন
সিমিন রহমান। ছবি: সংগৃহীত

আপন বোনের করা দুটি মামলার একটিতে অব্যাহতি পেয়েছেন ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানসহ পাঁচজন। আরেকটি মামলায় ঢাকার আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন তিনি।

স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণার অভিযোগে সিমিন রহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট) গ্রহণ করে আজ বুধবার তাদের অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালত আজ বুধবার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

অব্যাহতি পাওয়া অন্য ব্যক্তিরা হলেন সিমিন রহমানের মা ও ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহনাজ রহমান, ছেলে যারেফ আয়াত হোসেন এবং ট্রান্সকম গ্রুপের পরিচালক মো. কামরুল হাসান ও মো. ফখরুজ্জামান ভুইয়া।

সিমিনের আইনজীবী সিদ্দিক উল্যাহ মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আজ তাকে একটি মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। অপর মামলায় জামিন পেয়েছেন। যার মূল বিষয় ডিড অব সেটেলমেন্ট। লতিফুর রহমান তার সম্পদ সমূহ ডিড অব সেটেলমেন্টের মাধ্যমে বন্টন করে দিয়েছেন। মামলার বাদী তার মা ও সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা করছেন। বাদী সকল সেটেলমেন্ট বুঝে নিয়েছেন। বুঝে নিয়ে তিনি সেটা ইনকাম ট্যাক্সেও প্রদর্শন করেছেন। সিমিন রহমান ও ট্রান্সকম গ্রুপের যারা ব্যবসায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছে, তারা ছোট মেয়ের সঙ্গে আঁতাত করেছে। তাদের প্ররোচনায় বাদী একের পর এক মিথ্যা মামলা করছেন। আজকের মামলাসহ মোট তিনটি মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

আজকের মামলা সিআইডি পরীক্ষা করেছে। সেখানে বাদীর বাবা লতিফুর রহমান, বাদীসহ অন্যান্যদের স্বাক্ষর সঠিক পেয়েছে। সেজন্য পিবিআই আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেছে। আজ আদালত সেই চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। মামলার সকল আসামিকে খালাস দেন।

তিনি আরও বলেন, মামলার বাদী চারটি মামলা করেছেন। আজকে ডিড অব সেটেলমেন্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মামলা। বাদী বলেছিলো, ডিড অব সেটেলমেন্টে মানি না, সে সেখানে স্বাক্ষর করেনি। আজ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে, সে স্বাক্ষর করেছে।

সম্পর্কিত