চরচা ডেস্ক

ইরানের নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদিকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।
স্থানীয় সময় গতকাল রোববার নার্গিসকে ওই কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার একজন আইনজীবী। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
আইনজীবী মোস্তাফা নিলি জানান, অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে সমাবেশ ও যোগসাজশের অভিযোগে নার্গিস মোহাম্মাদিকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার ওপর দেশত্যাগে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।
ওই আইনজীবী বলেন, ওই সাজার পাশাপাশি প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগে মোহাম্মাদিকে আরও দেড় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে দুই বছরের জন্য দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় সাউথ খোরাসান প্রদেশের খোসফ শহরে নির্বাসনে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
নার্গিস মোহাম্মদির জীবনের একটা বড় সময়ই কেটেছে কারাগারে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারণে তাকে জেলে পাঠিয়েছে ইরান সরকার। ১৩ বারেরও বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাকে, আরও পাঁচ বার দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে তার সাজার মোট মেয়াদ ৩০ বছরের বেশি।
২০২৪ সালে প্রাথমিকভাবে মাত্র ৩ সপ্তাহের জন্য তাকে মুক্তি দেওয়া হলেও, চিকিৎসার কারণে বেশ কয়েকবার তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।
চিকিৎসকদের মতে, তার হাড়ের ক্ষত এবং হৃদরোগের জন্য দীর্ঘমেয়াদী বিশেষ পরিচর্যার প্রয়োজন। চিকিৎসকরা আরও সতর্ক করেছেন, জেলের পরিবেশে ফিরে গেলে তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হতে পারে।

ইরানের নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদিকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।
স্থানীয় সময় গতকাল রোববার নার্গিসকে ওই কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার একজন আইনজীবী। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
আইনজীবী মোস্তাফা নিলি জানান, অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে সমাবেশ ও যোগসাজশের অভিযোগে নার্গিস মোহাম্মাদিকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার ওপর দেশত্যাগে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।
ওই আইনজীবী বলেন, ওই সাজার পাশাপাশি প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগে মোহাম্মাদিকে আরও দেড় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে দুই বছরের জন্য দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় সাউথ খোরাসান প্রদেশের খোসফ শহরে নির্বাসনে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
নার্গিস মোহাম্মদির জীবনের একটা বড় সময়ই কেটেছে কারাগারে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারণে তাকে জেলে পাঠিয়েছে ইরান সরকার। ১৩ বারেরও বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাকে, আরও পাঁচ বার দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে তার সাজার মোট মেয়াদ ৩০ বছরের বেশি।
২০২৪ সালে প্রাথমিকভাবে মাত্র ৩ সপ্তাহের জন্য তাকে মুক্তি দেওয়া হলেও, চিকিৎসার কারণে বেশ কয়েকবার তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।
চিকিৎসকদের মতে, তার হাড়ের ক্ষত এবং হৃদরোগের জন্য দীর্ঘমেয়াদী বিশেষ পরিচর্যার প্রয়োজন। চিকিৎসকরা আরও সতর্ক করেছেন, জেলের পরিবেশে ফিরে গেলে তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হতে পারে।