Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২২ অক্টোবর, ২০২৬
২২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২২ অক্টোবর, ২০২৬
২২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> সংক্ষেপে

ইউক্রেনের সামরিক লক্ষ্যবস্তু ও বন্দরে হামলার দাবি রাশিয়ার

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২৬, ২১: ০৪
ইউক্রেনের সামরিক লক্ষ্যবস্তু ও বন্দরে হামলার দাবি রাশিয়ার

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তারা ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে সামরিক ও শিল্প স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে ওডেসা ও পিভদেনি বন্দরের অবকাঠামো এবং একটি সামুদ্রিক জাহাজেও হামলা চালানো হয়েছে। ওডেসা ইউক্রেনের তৃতীয় বৃহত্তম নগরী এবং গুরুত্বপূর্ণ কৃষ্ণসাগরীয় বন্দর।

Advertisement

আজ বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

যুদ্ধের সাম্প্রতিক পর্যায়ে মস্কো ও কিয়েভ উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা জোরদার করেছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো, বিশেষ করে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালাচ্ছে। অন্যদিকে রাশিয়া সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কৃষ্ণসাগরীয় বন্দরগুলোতে হামলা আরও বাড়িয়েছে।

ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষায় দুর্বলতা কি স্পষ্ট হয়ে উঠছে?Russia attack

ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে রাশিয়ার ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কিয়েভের অন্তত দুটি জেলায় আঘাত হানে। এতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এবং দুজন নিহত হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, কিয়েভে তারা এমন সামরিক ও শিল্প স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, যেখানে মাঝারি ও দীর্ঘপাল্লার ড্রোন উৎপাদন ও সংরক্ষণ করা হতো।

এ ছাড়া, ওডেসা ও পিভদেনি বন্দরের এমন অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে সামরিক মালামাল ও জ্বালানি গ্রহণ, সংরক্ষণ এবং পরিবহনে ব্যবহৃত হয় বলে দাবি করেছে মস্কো।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ওডেসা অঞ্চলের বন্দরের উদ্দেশে যাওয়ার পথে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর একটি সামুদ্রিক জাহাজ এবং একটি উচ্চগতির নৌযানেও হামলা চালানো হয়েছে।

বিষয়: রাশিয়াসাগরহামলাজাহাজসমুদ্রবন্দরইউক্রেনবন্দরইউক্রেন যুদ্ধ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব

  • ২

    কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ডুবে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

  • ৩

    বিমানের রিয়াদ ফ্লাইট ২৬ অক্টোবর, দাম্মামের ফ্লাইট শুরু হয়েছে

  • ৪

    বাংলাদেশকে দর্শক বানিয়ে ফাইনালে আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে

  • ৫

    দাবি পূরণ না হওয়ায় আজ থেকে সাজেক সড়কে আবারও অবরোধ

সম্পর্কিত
  • বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব

    বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব

    শত শত ট্রাকে প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রাটি সদরঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। ঢাকেশ্বরী থেকে শুরু হয়ে এই প্রতিমা যাত্রাটি শহীদ মিনার, হাইকোর্ট, শাহ মাজার ও কোর্ট এলাকা ঘুরে সদরঘাটে পৌঁছায়। ঢাকের বাদ্য আর বিদায়ের করুণ ছায়ায় সারিবদ্ধভাবে একে একে বুড়িগঙ্গা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়।

  • কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ডুবে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

    কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ডুবে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

    কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জ্যেষ্ঠ স্টেশন অফিসার দোলন আচার্য জানান, বিকেল ৫টার দিকে মেরিনা রিসোর্টের জাদুঘরসংলগ্ন সৈকতে এ ঘটনা ঘটে।

  • বাংলাদেশকে দর্শক বানিয়ে ফাইনালে আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে

    বাংলাদেশকে দর্শক বানিয়ে ফাইনালে আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে

    আফগানিস্তানকে জয়ের জন্য ১৬১ রানের টার্গেট দিলেও ফাইনালে যেতে বাংলাদেশকে জিততে হতো বড় ব্যবধানে। আর সেই লক্ষ্যে বোলারদের করতে হতো এমন কিছু, যা ক্রিকেটে মিরাকল ছাড়া আর কিছু নয়। কেননা, আফগানিস্তানের মতো একটি দলকে এমন ব্যাটিং উইকেটে ১১৯ রানের মধ্যে আটকে রাখাটা ছিল প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার।

  • দাবি পূরণ না হওয়ায় আজ থেকে সাজেক সড়কে আবারও অবরোধ

    দাবি পূরণ না হওয়ায় আজ থেকে সাজেক সড়কে আবারও অবরোধ

    তিন দফা দাবিতে গত ১১ অক্টোবর প্রথমে অবরোধ শুরু হয়। পরে স্থানীয় প্রশাসনের আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জেএসএস (সন্তু) গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া।