Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ অক্টোবর, ২০২৬
১০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> সংক্ষেপে

পাওয়ার বন্ড ইস্যু করুন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ঝুঁকিমুক্ত করুন: বিপপা

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬, ১৯: ৪৩
পাওয়ার বন্ড ইস্যু করুন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ঝুঁকিমুক্ত করুন: বিপপা

সরকারি বিদ্যুৎ ক্রেতা সংস্থা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) থেকে বিল পরিশোধে দীর্ঘ বিলম্বের কারণে দেশের বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো গুরুতর আর্থিক চাপে পড়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপপা)।

Advertisement

রাজধানীর একটি হোটেলে আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি দাবি করেছে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে ১৮০ থেকে ২৭০ দিন পর্যন্ত বিল পরিশোধে দেরি হচ্ছে। যা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি আমদানির সক্ষমতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। বকেয়া পরিশোধের সমাধান হিসেবে ‘পাওয়ার বন্ড’ ইস্যু করারও প্রস্তাব দেন বিপপা নেতারা।

বিপপার প্রেজেন্টেশনে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) অনুযায়ী সাধারণত ৩০ দিনের মধ্যে বিল পরিশোধ করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা কয়েক মাস পর্যন্ত দেরি হচ্ছে। এর ফলে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদকদের আর্থিক স্থিতিশীলতা দুর্বল হয়ে পড়েছে।

বিলম্বে হাজার কোটি টাকার ক্ষতি

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, দেরিতে অর্থ দেওয়ার কারণে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ইতোমধ্যে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। মুদ্রা বিনিময় হার ওঠানামার কারণে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি সুদের অতিরিক্ত ব্যয় বাবদ আরও প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয় বেড়েছে।

এলসি খুলতে না পারায় উৎপাদনে চাপ

সংগঠনটি জানিয়েছে, দীর্ঘদিন বিল বকেয়া থাকায় অনেক কোম্পানি জ্বালানি তেল, লুব অয়েল ও যন্ত্রাংশ আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় এলসি খুলতে পারছে না। ফলে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রয়োজনের তুলনায় কম উৎপাদনে চালাতে বাধ্য হচ্ছে। জ্বালানি আমদানি ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম ব্যাহত হলে জাতীয় গ্রিডের চাহিদা পূরণে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

বিপপা বলছে, আর্থিক ও পরিচালনাগত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে সর্বোচ্চ সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদকদের সংগঠনটি সম্ভাব্য সংকট এড়াতে সরকারের কাছে কয়েকটি সুপারিশ করেছে।

প্রথমত, বিপিডিবিকে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নিয়মিত বিল পরিশোধ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংগঠনটির মতে, চুক্তি অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ না হলে ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যেতে পারে।

দ্বিতীয়ত, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় কমাতে এইচএফও জ্বালানির ওপর ৩৪ শতাংশ এবং এলএনজির ওপর ২২ শতাংশ আমদানি শুল্ক সাময়িকভাবে কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। সংগঠনটির মতে, এসব শুল্ক আঞ্চলিক গড়ের (০–১১ শতাংশ) সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কমবে এবং ভর্তুকির চাপও কমবে।

বকেয়া বিল ও বিদেশি কোম্পানির সুবিধা

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিপপা নেতারা অভিযোগ করেন, দেশীয় আইপিপিগুলো সরকারকে সর্বোচ্চ ছাড় দিলেও তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। নেতারা জানান, যেখানে দেশীয় কোম্পানিগুলোকে সাত মাস ধরে বিল দেওয়া হচ্ছে না, সেখানে আদানির মতো বিদেশি কোম্পানিগুলোকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে নেতারা প্রশ্ন তোলেন, বিদেশি কোম্পানি সুযোগ পেলে দেশীয় কোম্পানি কেন বঞ্চিত হবে এবং এটি একটি নৈতিক ও জাতীয়তাবাদী দায়িত্বের বিষয়।

বকেয়া পরিশোধের সমাধান হিসেবে তারা ‘পাওয়ার বন্ড’ ইস্যু করার প্রস্তাব দেন। নেতারা জানান, সরকারের কাছে নগদ অর্থের সংকট থাকলে বন্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করা যেতে পারে, যা দেশীয় কোম্পানিগুলো গ্রহণ করতে রাজি আছে, কিন্তু বিদেশিরা তা নেবে না।

বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমার শঙ্কা

সংগঠনটির দাবি, চুক্তি বাস্তবায়নে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও কমে যাচ্ছে। প্রেজেন্টেশনে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি প্রায় ৫ হাজার ২০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের দরপত্রে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ খুবই সীমিত ছিল এবং শেষ পর্যন্ত মাত্র ৯০০ মেগাওয়াট প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

সংগঠনটির মতে, বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির শর্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো সম্ভব হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিপপা প্রেসিডেন্ট ডেভিড হাসনাত, ভাইস প্রেসিডেন্ট গুলাম রাব্বানী, সদস্য ইমরান করিম।

বিষয়: সৌরবিদ্যুৎবিদ্যুৎকেন্দ্রবকেয়াপ্রকল্পবিদ্যুৎ বিল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ‘ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪-২০২৫’-এর বিজয়ী লেখকদের নাম ঘোষণা

  • ২

    ইউআইইউতে ওয়ান ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট সেবার উদ্বোধন

  • ৩

    বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত হলেন তৌফিক ইমরোজ খালিদী

  • ৪

    ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ দলে রহস্য স্পিনার আলিস

  • ৫

    দিল্লির বিক্ষোভে যোগ দিতে গিয়ে আটক সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল ও বিজয়ন

সম্পর্কিত
  • বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত হলেন তৌফিক ইমরোজ খালিদী

    বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত হলেন তৌফিক ইমরোজ খালিদী

    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রয়াত প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীকে রাজধানীর মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল ৫টার দিকে তার মরদেহ কবরে শায়িত করা হয়। আজ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বনানীর ওল্ড ডিওএইচএস খেলার মাঠে সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর জানাজা হয়।

  • ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ দলে রহস্য স্পিনার আলিস

    ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ দলে রহস্য স্পিনার আলিস

    এশিয়ান গেমস দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর আলিস আল ইসলাম প্রথমবার ডাক পেলেন ওয়ানডেতে। আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের স্কোয়াডে রাখা হয়েছে এই রহস্য স্পিনারকে। আজ শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠেয় ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্র

  • দিল্লির বিক্ষোভে যোগ দিতে গিয়ে আটক সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল ও বিজয়ন

    দিল্লির বিক্ষোভে যোগ দিতে গিয়ে আটক সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল ও বিজয়ন

    সকাল থেকেই দিল্লি পুলিশ অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবন ঘিরে রেখেছিল। বিক্ষোভে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।

  • রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা ও বিদ্যায়তনিক পরাধীনতার শিকার তাসনীম সিরাজ

    রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা ও বিদ্যায়তনিক পরাধীনতার শিকার তাসনীম সিরাজ

    রাজনৈতিক প্রোপাগাণ্ডা, অপতথ্য ও বিদ্যায়তনিক পরাধীনতার শিকার হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনীম সিরাজ মাহবুব। আজ শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বুধবার মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিচ্ছিলেন সহযোগী