চরচা প্রতিবেদক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত পাঠাতে ভারতকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
আজ সোমবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে (বিআইআইএস) এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ভারতে যারা পালিয়ে আছেন, তাদের ফেরাতে ভিন্ন ভিন্ন চিঠি দেওয়া হয়েছে।
আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের কপিও পাঠানো হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের নভেম্বরে শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়। কামালকে ফেরত চেয়ে দ্বিতীয় দফা চিঠি পাঠানো হল কি না, জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, “আইনের মাধ্যমে উনার (কামাল) বিচার হচ্ছে এবং উনি যেহেতু পলাতক আসামি, উনাকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের যে চিঠিটা দেওয়ার প্রয়োজন, সেটাই আমরা দিয়েছি।”
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এটা আমরা বারবার বলেছি আগেও যে, কূটনীতিতে যে নর্মস আছে, যে প্রটোকল আছে, সেই প্রটোকল অনুযায়ী এক্সট্রাডিশন ট্রিটি অনুযায়ী আসাদুজ্জামান কামালকে দেশে ফিরিয়ে এনে উনার বিচারও সম্পন্ন করা হবে; ঠিক যেভাবে শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য আসামিদের বিচার হবে।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “চিঠি সম্প্রতি গেছে এবং এটা শুধু সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করেই চিঠি দেওয়া হয়েছে। যখন যেটা প্রয়োজন, আমাদের আইন মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে উদ্যোগগুলো নেবেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের ডিপ্লোমেসি অনুযায়ী আমরা সেই কাজগুলো করব।”
শামা ওবায়েদ বলেন, “আমরা তো চাই যে, একটা সুষ্ঠু বিচার হোক এবং সেই প্রক্রিয়াটা সরকারের পক্ষ থেকে চলমান থাকবে। চিঠি দেওয়া হলো। ফিডব্যাক আসা, কী করব, কী না করব-সেটা তো ভারত সরকারের ওপর ডিপেন্ড করে। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে চিঠি গেছে, আমরা অপেক্ষা করব।”
আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আশা করেন, তারা ভারতের কাছ থেকে ‘পজিটিভ রিপ্লাই’ পাবেন। তিনি বলেন, “অবশ্যই আমরা আশা করব যে, ভারত পজিটিভ রিপ্লাই দেবে এবং দুই দেশের মধ্যে যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আছে, সেটাকে জোরদার করার লক্ষ্যে তারা তাদের পক্ষ থেকে যা দায়িত্ব, সেটা তারা পালন করবে।”

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত পাঠাতে ভারতকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
আজ সোমবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে (বিআইআইএস) এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ভারতে যারা পালিয়ে আছেন, তাদের ফেরাতে ভিন্ন ভিন্ন চিঠি দেওয়া হয়েছে।
আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের কপিও পাঠানো হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের নভেম্বরে শেখ হাসিনা এবং আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়। কামালকে ফেরত চেয়ে দ্বিতীয় দফা চিঠি পাঠানো হল কি না, জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, “আইনের মাধ্যমে উনার (কামাল) বিচার হচ্ছে এবং উনি যেহেতু পলাতক আসামি, উনাকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের যে চিঠিটা দেওয়ার প্রয়োজন, সেটাই আমরা দিয়েছি।”
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এটা আমরা বারবার বলেছি আগেও যে, কূটনীতিতে যে নর্মস আছে, যে প্রটোকল আছে, সেই প্রটোকল অনুযায়ী এক্সট্রাডিশন ট্রিটি অনুযায়ী আসাদুজ্জামান কামালকে দেশে ফিরিয়ে এনে উনার বিচারও সম্পন্ন করা হবে; ঠিক যেভাবে শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য আসামিদের বিচার হবে।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “চিঠি সম্প্রতি গেছে এবং এটা শুধু সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করেই চিঠি দেওয়া হয়েছে। যখন যেটা প্রয়োজন, আমাদের আইন মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে উদ্যোগগুলো নেবেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের ডিপ্লোমেসি অনুযায়ী আমরা সেই কাজগুলো করব।”
শামা ওবায়েদ বলেন, “আমরা তো চাই যে, একটা সুষ্ঠু বিচার হোক এবং সেই প্রক্রিয়াটা সরকারের পক্ষ থেকে চলমান থাকবে। চিঠি দেওয়া হলো। ফিডব্যাক আসা, কী করব, কী না করব-সেটা তো ভারত সরকারের ওপর ডিপেন্ড করে। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে চিঠি গেছে, আমরা অপেক্ষা করব।”
আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আশা করেন, তারা ভারতের কাছ থেকে ‘পজিটিভ রিপ্লাই’ পাবেন। তিনি বলেন, “অবশ্যই আমরা আশা করব যে, ভারত পজিটিভ রিপ্লাই দেবে এবং দুই দেশের মধ্যে যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আছে, সেটাকে জোরদার করার লক্ষ্যে তারা তাদের পক্ষ থেকে যা দায়িত্ব, সেটা তারা পালন করবে।”