চরচা ডেস্ক

ইরানের জনগণকে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে ইরানে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব কঠিন পদক্ষেপ’ নিতে পারে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার আমেরিকান সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব বলেন।
ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, “ওরা যদি এমন কিছু করে, তাহলে আমরা খুব কঠোর পদক্ষেপ নেব। তারা যখন হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করতে শুরু করেছে, আর এখন আপনি আমাকে ফাঁসির কথা বলছেন-তখন দেখা যাবে এর পরিণতি তাদের জন্য কী হয়।”
এর আগে মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ইরানিদের উদ্দেশে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও লিখেছেন, “বিক্ষোভকারীদের নির্বিচার হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছি, আপনাদের জন্য সাহায্য আসছে।”
তবে তিনি কোন বৈঠকের কথা বলেছেন বা সেই ‘সাহায্য’ কী ধরনের হবে- তা স্পষ্ট করেননি তিনি।
ট্রাম্প এমন এক সময়ে এই হুঁশিয়ারি দিলেন যখন ইরানে ব্যাপকভাবে চলছে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ। বিক্ষোভ দমাতে আজই ইরান প্রথম এক বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিতে যাচ্ছে বলে এনডিটিভির সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।
তেহরানের কাছে কারাজ শহরে বিক্ষোভ চলাকালে গত সপ্তাহে গ্রেপ্তার হওয়া ২৬ বছর বয়সী এরফান সোলতানিকে কোনো যথাযথ বিচার ছাড়াই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে বলে মানবাধিকার সংগঠনগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
এর আগে ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মোভাহেদি আজাদ সতর্ক করে বলেছেন, যারা বিক্ষোভে অংশ নেবেন, তাদের ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে গণ্য করা হবে। ইরানের আইনে এ অভিযোগের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
এদিকে, গত কয়েক দিন ধরেই ট্রাম্প ইরানে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়ে আসছেন। তিনি বলেছেন, ইরানে যেকোনো সময় হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
ইরানি মুদ্রা রিয়ালের দরপতন ইরানে ব্যাপক অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে। মাংস, চাল এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশচুম্বী। দেশটি বর্তমানে প্রায় ৪০ শতাংশ বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির সাথে লড়াই করছে।
ডিসেম্বরের শেষের দিকে তেহরানের ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে এই বিক্ষোভ শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তা ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে অর্থনৈতিক ইস্যুতে বিক্ষোভ শুরু হলেও, আন্দোলনকারীরা দ্রুত সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করেন।

ইরানের জনগণকে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে ইরানে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব কঠিন পদক্ষেপ’ নিতে পারে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার আমেরিকান সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব বলেন।
ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেন, “ওরা যদি এমন কিছু করে, তাহলে আমরা খুব কঠোর পদক্ষেপ নেব। তারা যখন হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করতে শুরু করেছে, আর এখন আপনি আমাকে ফাঁসির কথা বলছেন-তখন দেখা যাবে এর পরিণতি তাদের জন্য কী হয়।”
এর আগে মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ইরানিদের উদ্দেশে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও লিখেছেন, “বিক্ষোভকারীদের নির্বিচার হত্যাকাণ্ড বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব বৈঠক বাতিল করেছি, আপনাদের জন্য সাহায্য আসছে।”
তবে তিনি কোন বৈঠকের কথা বলেছেন বা সেই ‘সাহায্য’ কী ধরনের হবে- তা স্পষ্ট করেননি তিনি।
ট্রাম্প এমন এক সময়ে এই হুঁশিয়ারি দিলেন যখন ইরানে ব্যাপকভাবে চলছে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ। বিক্ষোভ দমাতে আজই ইরান প্রথম এক বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিতে যাচ্ছে বলে এনডিটিভির সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।
তেহরানের কাছে কারাজ শহরে বিক্ষোভ চলাকালে গত সপ্তাহে গ্রেপ্তার হওয়া ২৬ বছর বয়সী এরফান সোলতানিকে কোনো যথাযথ বিচার ছাড়াই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে বলে মানবাধিকার সংগঠনগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
এর আগে ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মোভাহেদি আজাদ সতর্ক করে বলেছেন, যারা বিক্ষোভে অংশ নেবেন, তাদের ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে গণ্য করা হবে। ইরানের আইনে এ অভিযোগের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
এদিকে, গত কয়েক দিন ধরেই ট্রাম্প ইরানে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়ে আসছেন। তিনি বলেছেন, ইরানে যেকোনো সময় হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
ইরানি মুদ্রা রিয়ালের দরপতন ইরানে ব্যাপক অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে। মাংস, চাল এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশচুম্বী। দেশটি বর্তমানে প্রায় ৪০ শতাংশ বার্ষিক মুদ্রাস্ফীতির সাথে লড়াই করছে।
ডিসেম্বরের শেষের দিকে তেহরানের ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে এই বিক্ষোভ শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তা ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে অর্থনৈতিক ইস্যুতে বিক্ষোভ শুরু হলেও, আন্দোলনকারীরা দ্রুত সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

গত বছরে নেপালে ‘জেন জি’ দের বিক্ষোভে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা ওলি বলেছেন, তার বিরুদ্ধে হওয়া বিক্ষোভ ছিল অস্বাভাবিক ও পরিকল্পিত। নেপালে এমন কিছু হতে পারে বলে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার নেতারা নেপালকে সতর্ক করেছিলেন বলেও জানান তিনি।