চরচা প্রতিবেদক

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলির ক্ষমতা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। উপজেলার অভ্যন্তরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং জেলার অভ্যন্তরে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নেতৃত্বে গঠিত কমিটি এই বদলির কাজ করবে।
রাজধানীর বনানীতে আজ রোববার অনুষ্ঠিত ‘শিক্ষা সেক্টর অ্যানালাইসিস’ সংক্রান্ত এক সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ তথ্য জানান। এ সময় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আনম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষক টিচার ট্রান্সফার একটা বড় ইস্যু। এই টিচার ট্রান্সফার বিগত দিনগুলোতে বড় একটা সিন্ডিকেট করাপশনের জায়গা হয়ে তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নিজে এটাতে নজর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা সকলে মিলে নতুন পলিসি গঠন করেছি। এটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক ক্ষেত্রের জন্য। তবে আমি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কথা বলব।’’
ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিকে টিচার ট্রান্সফার এটা লোকালাইজ (স্থানীয়) করে দেওয়া হয়েছে। লোকাল টিম গঠন করা হয়েছে উপজেলা লেভেলে ইউএনওর নেতৃত্বে। সেখানে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার থাকবেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার থাকবেন। চারজন মেম্বারের টিম করে দেওয়া হয়েছে, যারা মাসে একবার এ কাজে বসবেন। ওই মাসে যতগুলো বদলির রিকোয়েস্ট আসবে সেগুলো রিভিউ করে তারা ট্রান্সফার অ্যালাউ করবেন অথবা করবেন না। একইভাবে ডিসির আন্ডারেও জেলা লেভেলে কমিটি করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘করাপশনের সব জায়গাগুলো আমরা বন্ধ করে দিতে চাই।’’
শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে সরকারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ২ বছর পর থেকে যেন কোনো আনট্রেইন্ড টিচার (প্রশিক্ষণবিহীন) ক্লাসরুমে পা রাখতে না পারে, সেটি নিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, টিচারের ট্রেনিংয়ের জন্য ন্যাপ, পিটিআই রয়েছে; যারা নতুন কারিকুলাম তৈরি করেন, তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যে কীভাবে আমরা নতুন ট্রেনিং রেজিমেন্ট তৈরি করতে পারি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা কমছে, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। আমরা চেষ্টা করছি কীভাবে সেটা ইমপ্রুভ করতে পারি সেটা নিয়ে কাজ চলছে। সরকার মিড ডে মিল চালু করেছে, আগামী বছরের মধ্যে সারাদেশে পৌঁছে দেওয়া হবে।
‘‘শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি ইউনিফর্ম, জুতা, স্কুল ব্যাগ দিচ্ছি। এটার পাইলটিং শুরু হয়ে গেছে। এগুলো শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করবে। পরিবারের ওপর ফাইন্যানশিয়াল বার্ডেন (অর্থনৈতিক সংকট) আরও কমে আসবে।’’
এর আগে শিক্ষা নিয়ে তথ্যভিত্তিক একটি উপস্থাপনা তুলেন ধরেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের শিক্ষা উইংয়ের প্রধান ড. দীপা সংকর। এসময় বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফ, ইউরোপীয়দের ইউনিয়ন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধিরা।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলির ক্ষমতা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। উপজেলার অভ্যন্তরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং জেলার অভ্যন্তরে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নেতৃত্বে গঠিত কমিটি এই বদলির কাজ করবে।
রাজধানীর বনানীতে আজ রোববার অনুষ্ঠিত ‘শিক্ষা সেক্টর অ্যানালাইসিস’ সংক্রান্ত এক সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ তথ্য জানান। এ সময় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আনম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষক টিচার ট্রান্সফার একটা বড় ইস্যু। এই টিচার ট্রান্সফার বিগত দিনগুলোতে বড় একটা সিন্ডিকেট করাপশনের জায়গা হয়ে তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নিজে এটাতে নজর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমরা সকলে মিলে নতুন পলিসি গঠন করেছি। এটি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক ক্ষেত্রের জন্য। তবে আমি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কথা বলব।’’
ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিকে টিচার ট্রান্সফার এটা লোকালাইজ (স্থানীয়) করে দেওয়া হয়েছে। লোকাল টিম গঠন করা হয়েছে উপজেলা লেভেলে ইউএনওর নেতৃত্বে। সেখানে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার থাকবেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার থাকবেন। চারজন মেম্বারের টিম করে দেওয়া হয়েছে, যারা মাসে একবার এ কাজে বসবেন। ওই মাসে যতগুলো বদলির রিকোয়েস্ট আসবে সেগুলো রিভিউ করে তারা ট্রান্সফার অ্যালাউ করবেন অথবা করবেন না। একইভাবে ডিসির আন্ডারেও জেলা লেভেলে কমিটি করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘করাপশনের সব জায়গাগুলো আমরা বন্ধ করে দিতে চাই।’’
শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে সরকারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ২ বছর পর থেকে যেন কোনো আনট্রেইন্ড টিচার (প্রশিক্ষণবিহীন) ক্লাসরুমে পা রাখতে না পারে, সেটি নিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, টিচারের ট্রেনিংয়ের জন্য ন্যাপ, পিটিআই রয়েছে; যারা নতুন কারিকুলাম তৈরি করেন, তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যে কীভাবে আমরা নতুন ট্রেনিং রেজিমেন্ট তৈরি করতে পারি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা কমছে, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। আমরা চেষ্টা করছি কীভাবে সেটা ইমপ্রুভ করতে পারি সেটা নিয়ে কাজ চলছে। সরকার মিড ডে মিল চালু করেছে, আগামী বছরের মধ্যে সারাদেশে পৌঁছে দেওয়া হবে।
‘‘শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি ইউনিফর্ম, জুতা, স্কুল ব্যাগ দিচ্ছি। এটার পাইলটিং শুরু হয়ে গেছে। এগুলো শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করবে। পরিবারের ওপর ফাইন্যানশিয়াল বার্ডেন (অর্থনৈতিক সংকট) আরও কমে আসবে।’’
এর আগে শিক্ষা নিয়ে তথ্যভিত্তিক একটি উপস্থাপনা তুলেন ধরেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের শিক্ষা উইংয়ের প্রধান ড. দীপা সংকর। এসময় বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফ, ইউরোপীয়দের ইউনিয়ন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধিরা।