চরচা ডেস্ক

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে (৫৮) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলা সদরের কামালপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত হয়েছেন জাহাঙ্গীরের সহযোগী মোহাম্মদ আলীর ছেলে বিএনপি নেতা হাদিস মিয়া (৩৮)।
এই ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজন হলেন বরগুনা জেলার বামনা থানার চালিতাবুনিয়া গ্রামের হেলাল, মহিউদ্দিন ও জাকির।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পর কামালপুর এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে জাহাঙ্গীরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় তিন দুর্বৃত্ত। এসময় চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর জখম করা হয়। হামলার সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে স্থানীয় বিএনপি নেতা হাদিস মিয়াকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।
রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা প্রথমে আহত দুজনকে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে চিকিৎসক জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত হাদিস মিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় বাসিন্দা বাছেদ শিকদার জানান, বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পরপরই তিনজন হামলাকারী জাহাঙ্গীরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি তাকে কোপাতে থাকে। হামলা ঠেকাতে গেলে হাদিস মিয়াকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান দাবি করেন, “হামলায় অংশ নেওয়া তিনজন ঢাকা থেকে মিঠামইনে এসেছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।’’
মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি পুরো এলাকায় জেলা পুলিশের কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি রাখা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনাকারী এবং এর পেছনে কারা রয়েছে, তা উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে (৫৮) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলা সদরের কামালপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত হয়েছেন জাহাঙ্গীরের সহযোগী মোহাম্মদ আলীর ছেলে বিএনপি নেতা হাদিস মিয়া (৩৮)।
এই ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজন হলেন বরগুনা জেলার বামনা থানার চালিতাবুনিয়া গ্রামের হেলাল, মহিউদ্দিন ও জাকির।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পর কামালপুর এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে জাহাঙ্গীরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় তিন দুর্বৃত্ত। এসময় চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর জখম করা হয়। হামলার সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে স্থানীয় বিএনপি নেতা হাদিস মিয়াকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।
রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা প্রথমে আহত দুজনকে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে চিকিৎসক জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত হাদিস মিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় বাসিন্দা বাছেদ শিকদার জানান, বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পরপরই তিনজন হামলাকারী জাহাঙ্গীরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি তাকে কোপাতে থাকে। হামলা ঠেকাতে গেলে হাদিস মিয়াকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান দাবি করেন, “হামলায় অংশ নেওয়া তিনজন ঢাকা থেকে মিঠামইনে এসেছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।’’
মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি পুরো এলাকায় জেলা পুলিশের কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি রাখা হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনাকারী এবং এর পেছনে কারা রয়েছে, তা উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।

তিনি বলেন, "নিশ্চয়ই কিছু গোষ্ঠী সরকারকে বিব্রত করতে চায়। তারা পরিচয় গোপন করে বিভিন্ন ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। বিষয়টি এখন স্পষ্ট। আন্দোলনে অংশ নেওয়া অনেকেই প্রকৃতপক্ষে ছাত্র বা পরীক্ষার্থী নন।"