চরচা প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে চলন্ত অটোরিকশা থেকে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের স্ত্রীর ব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ছিনতাইয়ের শিকার মঞ্জুরুল আলম মজুমদার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসেছিলেন।
ভুক্তভোগী জানান, সকালে তারা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসক দেখিয়ে অটোরিকশায় করে নিউমার্কেটের দিকে যাচ্ছিলেন। শাহবাগ থানা অতিক্রম করে চারুকলার গেটের সামনে পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তি চলন্ত অবস্থায় তার স্ত্রীর ব্যাগটি ছিনিয়ে নেয়।
মঞ্জুরুল আলম বলেন, “আমরা চিৎকার করে তাদের পিছু নেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু রাস্তা ফাঁকা থাকায় মোটরসাইকেলটি দ্রুত শাহবাগ মোড় হয়ে কাঁটাবনের দিকে চলে যায়।”
ছিনতাই হওয়া ব্যাগে একটি মোবাইল ফোন, কিছু নগদ টাকা, ব্যাংকের এটিএম কার্ড এবং শিশুদের জন্য কেনা খাবার ছিল।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা শাহবাগ থানায় একটি জিডি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে মঞ্জুরুল আলম বলেন, “পুলিশ বলেছে মামলা করলে নানা ঝামেলা হতে পারে, বারবার ঢাকায় আসতে হবে। যেহেতু আমরা চলন্ত অবস্থায় তাদের (ছিনতাইকারী) পেছন দিক দেখেছি। আর ছিনতাইকারীরা অত্যন্ত পেশাদার ছিল। সিসিটিভি ফুটেজ ছাড়া তাদের শনাক্ত করা কঠিন।”
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “আমরা ভুক্তভোগীদের মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি। তবে তারা মামলা করতে আগ্রহী নন। তবুও বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে চলন্ত অটোরিকশা থেকে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের স্ত্রীর ব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ছিনতাইয়ের শিকার মঞ্জুরুল আলম মজুমদার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসেছিলেন।
ভুক্তভোগী জানান, সকালে তারা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসক দেখিয়ে অটোরিকশায় করে নিউমার্কেটের দিকে যাচ্ছিলেন। শাহবাগ থানা অতিক্রম করে চারুকলার গেটের সামনে পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তি চলন্ত অবস্থায় তার স্ত্রীর ব্যাগটি ছিনিয়ে নেয়।
মঞ্জুরুল আলম বলেন, “আমরা চিৎকার করে তাদের পিছু নেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু রাস্তা ফাঁকা থাকায় মোটরসাইকেলটি দ্রুত শাহবাগ মোড় হয়ে কাঁটাবনের দিকে চলে যায়।”
ছিনতাই হওয়া ব্যাগে একটি মোবাইল ফোন, কিছু নগদ টাকা, ব্যাংকের এটিএম কার্ড এবং শিশুদের জন্য কেনা খাবার ছিল।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা শাহবাগ থানায় একটি জিডি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে মঞ্জুরুল আলম বলেন, “পুলিশ বলেছে মামলা করলে নানা ঝামেলা হতে পারে, বারবার ঢাকায় আসতে হবে। যেহেতু আমরা চলন্ত অবস্থায় তাদের (ছিনতাইকারী) পেছন দিক দেখেছি। আর ছিনতাইকারীরা অত্যন্ত পেশাদার ছিল। সিসিটিভি ফুটেজ ছাড়া তাদের শনাক্ত করা কঠিন।”
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “আমরা ভুক্তভোগীদের মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি। তবে তারা মামলা করতে আগ্রহী নন। তবুও বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।”