গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০২৬
চরচা ডেস্ক

গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (জিটিআই) ২০২৬ অনুযায়ী বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানে। ২০২৫ সালে দেশটিতে ১,১৩৯ জন নিহত এবং ১,০৪৫টি হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা ২০১৩ সালের পর সর্বোচ্চ।
আজ শুক্রবার গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০২৬ এর এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
নতুন এ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শীর্ষ ১০টি সন্ত্রাসপ্রবণ দেশের মধ্যে ছয়টি দেশই সাব-সাহারান আফ্রিকায় অবস্থিত। ফলে আফ্রিকা বর্তমানে বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বুরকিনা ফাসো, তৃতীয় নাইজার এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে নাইজেরিয়া। এ ছাড়া মালি পঞ্চম ও ইসরায়েল দশম অবস্থানে রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামিক স্টেট (আইএস) এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলো এখনও বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। তারা বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৭ শতাংশ হামলার জন্য দায়ী। সংগঠনটি বর্তমানে ২২টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
এদিকে, সন্ত্রাসবাদে মৃত্যুর সংখ্যা বিশ্বজুড়ে ২৮ শতাংশ কমে ৫,৫৮২ জনে নেমে এসেছে এবং হামলার ঘটনাও ২২ শতাংশ কমেছে, যা ২০০৭ সালের পর সর্বনিম্ন। তবে পশ্চিমা বিশ্বে সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে ৬৩ শতাংশ এবং ইউরোপে এ সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।
প্রতিবেদনটি আরও জানায়, ড্রোন প্রযুক্তি ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো তাদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করছে। একই সঙ্গে ইসলামোফোবিয়া ও ইহুদিবিদ্বেষও বিশ্বজুড়ে বেড়েছে।

গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (জিটিআই) ২০২৬ অনুযায়ী বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানে। ২০২৫ সালে দেশটিতে ১,১৩৯ জন নিহত এবং ১,০৪৫টি হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা ২০১৩ সালের পর সর্বোচ্চ।
আজ শুক্রবার গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স ২০২৬ এর এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
নতুন এ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শীর্ষ ১০টি সন্ত্রাসপ্রবণ দেশের মধ্যে ছয়টি দেশই সাব-সাহারান আফ্রিকায় অবস্থিত। ফলে আফ্রিকা বর্তমানে বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বুরকিনা ফাসো, তৃতীয় নাইজার এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে নাইজেরিয়া। এ ছাড়া মালি পঞ্চম ও ইসরায়েল দশম অবস্থানে রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামিক স্টেট (আইএস) এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলো এখনও বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। তারা বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৭ শতাংশ হামলার জন্য দায়ী। সংগঠনটি বর্তমানে ২২টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
এদিকে, সন্ত্রাসবাদে মৃত্যুর সংখ্যা বিশ্বজুড়ে ২৮ শতাংশ কমে ৫,৫৮২ জনে নেমে এসেছে এবং হামলার ঘটনাও ২২ শতাংশ কমেছে, যা ২০০৭ সালের পর সর্বনিম্ন। তবে পশ্চিমা বিশ্বে সন্ত্রাসী হামলা বেড়েছে ৬৩ শতাংশ এবং ইউরোপে এ সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।
প্রতিবেদনটি আরও জানায়, ড্রোন প্রযুক্তি ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো তাদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করছে। একই সঙ্গে ইসলামোফোবিয়া ও ইহুদিবিদ্বেষও বিশ্বজুড়ে বেড়েছে।