নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। ফলে আগামী ২০ আগস্ট দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট হবে।”
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজের কক্ষের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার আহমেদ বলেন, “আজকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। গত ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দুজনের প্রার্থিতা বৈধ হয়। তাদের কেউই প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় আগামী ২০ আগস্টের নির্বাচনে তারা দুজনই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তাদের একজন ডক্টর অলি আহমেদ, আরেকজন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।”
ইসি সচিব বলেন, “ওইদিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ভোট হবে। ভোটের শুরুতে সিইসি ভোটগ্রহণের পদ্ধতি সম্পর্কে জানাবেন। এরপর আমরা ওখানে ভোটগ্রহণ করব।”
ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, “ব্যালট পেপারে দুটি অংশ থাকবে- একটি মুড়ি অংশ অন্যটি মূল ব্যালট অংশ। মুড়ি অংশে থাকে তিনটা তথ্য আর একটা ব্ল্যাংক স্পেস। তিনটা তথ্য হচ্ছে- ক্রমিক নাম্বার, সংসদ সদস্যের নাম (যিনি ভোট দেবেন) এবং তার বিভক্তি নাম্বার- যেটা জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে আমাদেরকে জানানো হয়েছে। এর নিচে একটা স্পেস থাকবে যেখানে সংসদ সদস্য পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করে ব্যালটটা গ্রহণ করবেন।”
সচিব বলেন, “মূল ব্যালট অংশে প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার আদ্যক্ষর অনুযায়ী সাজানো থাকবে। ডান পাশের অংশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার আদ্যক্ষর অনুযায়ী সাজানো হবে। প্রিন্টের পাশে ডান দিকে স্পেস থাকবে যেখানে সংসদ সদস্যরা তাদের পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন।”
আখতার আহমেদ বলেন, “বিকেল ৫টার পরে ব্যালট গণনা করা হবে। ফলাফলে যিনি বেশি ভোট পাবেন সিইসি তাকে প্রাথমিকভাবে সংসদ কক্ষেই বিজয়ী ঘোষণা করবেন। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।”
আখতার আহমেদ আরও বলেন, “ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ৩৪৯ এবং ৩৪৯টি ব্যালটই থাকবে। ভুল হওয়ার সম্ভাবনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা হয়তো কিছু বাড়তি কয়েকটা ব্যালট রাখব জাস্ট ইন কেস।”
ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, “ব্যালটের রংটা হচ্ছে সাদার ওপর কালো প্রিন্ট। আর এখান থেকে আমিসহ ২০ জন যাব এই ডিস্ট্রিবিউশনের দায়িত্বে।”
১৯৯১ সালে বাংলাদেশে প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।