চরচা প্রতিবেদক

স্পনসর হিসেবে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের লোগোতে নাম সংযুক্ত করার পরদিনই বোমাটা ফাটল। রীতিমতো বিবৃতি দিয়ে মালয়েশিয়ান তেল গ্যাস কোম্পানি ‘পেট্রোনাস’জানিয়ে দিল, বাফুফের সঙ্গে লিগের স্পনসর হওয়ার কোনো ধরনের চুক্তি তাদের হয়নি। বাংলাদেশ ফুটবল লিগের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্কই নেই।
মালয়েশিয়ান এনার্জি জায়ান্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া এই বিবৃতি রীতিমতো বিব্রত করেছে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের। সকাল থেকেই এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছিল আলোচনা। ফুটবল–কর্তাদের তুলোধুনোই করছিলেন তারা। তাদের প্রশ্ন, পেট্রোনাস যেখানে অস্বীকার করছে, বাফুফে কীভাবে প্রতিষ্ঠানটির নাম ফুটবল লিগের লোগোতে সংযুক্ত করল?

মূল সমস্যাটি আসলে অন্য জায়গায়। বাংলাদেশ ফুটবল লিগের স্পনসর হিসেবে আসলে বাফুফের সঙ্গে চুক্তিটা হয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়িক গ্রুপ ইউনাইটেড গ্রুপের। এ পর্যন্ত সবকিছু ঠিক ছিল। ইউনাইটেড গ্রুপ বাংলাদেশে পেট্রোনাসের একমাত্র ডিস্ট্রিবিউটর। সেই ‘অধিকার’থেকেই তারা বাংলাদেশ ফুটবল লিগের সঙ্গে পেট্রোনাস নামটি যুক্ত করে দেয়। কাজটি যে তারা করতে পারে না, সে ব্যাপারটি মাথাতেই আসেনি কারও। না ইউনাইটেড গ্রুপের, না বাফুফের। নিজেদের বিবৃতিতে পেট্রোনাস ঠিকই উল্লেখ করেছে বিষয়টি। তারা বলেছে, ‘এই লিগের সঙ্গে আমাদের (পেট্রোনাস) নাম বা ব্র্যান্ড ব্যবহারের জন্য কোনো অনুমোদনও কাউকে দেওয়া হয়নি।’
ব্যাপারটি নিয়ে চরচার পক্ষ থেকে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় বাফুফের সহসভাপতি ও বিপণন কমিটির প্রধান ফাহাদ করিমের সঙ্গে। হোয়াটসঅ্যাপে তাকে বার্তা পাঠানো হলে তিনি মিটিংয়ে ব্যস্ত থাকার কথা উল্লেখ করে সেই বার্তার উত্তরে লেখেন, “মিটিং শেষে আমি ফোন করছি।”
তিনি অবশ্য আর ফোন করেননি। পরে চরচার পক্ষ থেকে তাকে আবার হোয়াটসঅ্যাপে কল করা হলেও তিনি সেই কল ধরেননি।
বিকেলে বাফুফে এ ব্যাপারে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়। সেখানে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের নতুন স্পনসর হিসেবে ইউনাইটেড হেলথ কেয়ারের কথা উল্লেখ করা হয়। লোগোতে তাদের নামও সংযুক্ত করা হয়।

তবে বাফুফের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পেট্রোনাসের প্রসঙ্গে যা উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি নিয়ে বিতর্কের অবকাশ আছে। সেখানে লেখা হয়েছে, “পেট্রোনাস এই মৌসুমে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের টাইটেল স্পনসর হতে পারছে না…।” কিন্তু মালয়েশিয়ান প্রতিষ্ঠানটি আজ সকালে নিজেদের ওয়েবসাইটে যে বিবৃতি প্রকাশ করেছে, সেটিতে তারা স্পষ্টই উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশ ফুটবল লিগের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই, পেট্রোনাস নাম বা ব্র্যান্ড কোথাও ব্যবহারের অনুমোদন তারা কাউকে দেয়নি। এর মানে বাংলাদেশ ফুটবল লিগ নিয়ে কোনো ভাবনাই তাদের নেই, কখনো ছিল না। অথচ, বাফুফের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মনে হতে পারে, আপাতত এই মৌসুমের জন্য তারা বাংলাদেশ ফুটবল লিগের টাইটেল স্পনসর হতে পারছে না। পরের মৌসুমে তারা ভেবে দেখবে।
হামজা, শমিতদের নিয়ে দেশের ফুটবলে সাম্প্রতিককালে যে জোয়ার, ভারতকে হারানোর পর ফুটবল নিয়ে মানুষের যে আগ্রহ, তার ঠিক উল্টো জায়গায় আছে বাংলাদেশ ফুটবল লিগ। আকর্ষণহীন এই লিগের আকর্ষণ ফেরানোর ব্যাপারে বাফুফের উদ্যোগগুলো খুবই দুর্বল। মানহীন সম্প্রচার, মাঠ, স্টেডিয়াম–সবকিছুই লিগকে করছে ক্ষতিগ্রস্ত। এর মধ্যে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের নাম অযাচিতভাবে স্পনসর হিসেবে ব্যবহার করাটা ফুটবলকে দেশের বাইরেও প্রশ্নবিদ্ধ করে দিয়েছে।

স্পনসর হিসেবে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের লোগোতে নাম সংযুক্ত করার পরদিনই বোমাটা ফাটল। রীতিমতো বিবৃতি দিয়ে মালয়েশিয়ান তেল গ্যাস কোম্পানি ‘পেট্রোনাস’জানিয়ে দিল, বাফুফের সঙ্গে লিগের স্পনসর হওয়ার কোনো ধরনের চুক্তি তাদের হয়নি। বাংলাদেশ ফুটবল লিগের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্কই নেই।
মালয়েশিয়ান এনার্জি জায়ান্টের ওয়েবসাইটে দেওয়া এই বিবৃতি রীতিমতো বিব্রত করেছে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের। সকাল থেকেই এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছিল আলোচনা। ফুটবল–কর্তাদের তুলোধুনোই করছিলেন তারা। তাদের প্রশ্ন, পেট্রোনাস যেখানে অস্বীকার করছে, বাফুফে কীভাবে প্রতিষ্ঠানটির নাম ফুটবল লিগের লোগোতে সংযুক্ত করল?

মূল সমস্যাটি আসলে অন্য জায়গায়। বাংলাদেশ ফুটবল লিগের স্পনসর হিসেবে আসলে বাফুফের সঙ্গে চুক্তিটা হয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়িক গ্রুপ ইউনাইটেড গ্রুপের। এ পর্যন্ত সবকিছু ঠিক ছিল। ইউনাইটেড গ্রুপ বাংলাদেশে পেট্রোনাসের একমাত্র ডিস্ট্রিবিউটর। সেই ‘অধিকার’থেকেই তারা বাংলাদেশ ফুটবল লিগের সঙ্গে পেট্রোনাস নামটি যুক্ত করে দেয়। কাজটি যে তারা করতে পারে না, সে ব্যাপারটি মাথাতেই আসেনি কারও। না ইউনাইটেড গ্রুপের, না বাফুফের। নিজেদের বিবৃতিতে পেট্রোনাস ঠিকই উল্লেখ করেছে বিষয়টি। তারা বলেছে, ‘এই লিগের সঙ্গে আমাদের (পেট্রোনাস) নাম বা ব্র্যান্ড ব্যবহারের জন্য কোনো অনুমোদনও কাউকে দেওয়া হয়নি।’
ব্যাপারটি নিয়ে চরচার পক্ষ থেকে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় বাফুফের সহসভাপতি ও বিপণন কমিটির প্রধান ফাহাদ করিমের সঙ্গে। হোয়াটসঅ্যাপে তাকে বার্তা পাঠানো হলে তিনি মিটিংয়ে ব্যস্ত থাকার কথা উল্লেখ করে সেই বার্তার উত্তরে লেখেন, “মিটিং শেষে আমি ফোন করছি।”
তিনি অবশ্য আর ফোন করেননি। পরে চরচার পক্ষ থেকে তাকে আবার হোয়াটসঅ্যাপে কল করা হলেও তিনি সেই কল ধরেননি।
বিকেলে বাফুফে এ ব্যাপারে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়। সেখানে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের নতুন স্পনসর হিসেবে ইউনাইটেড হেলথ কেয়ারের কথা উল্লেখ করা হয়। লোগোতে তাদের নামও সংযুক্ত করা হয়।

তবে বাফুফের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পেট্রোনাসের প্রসঙ্গে যা উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি নিয়ে বিতর্কের অবকাশ আছে। সেখানে লেখা হয়েছে, “পেট্রোনাস এই মৌসুমে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের টাইটেল স্পনসর হতে পারছে না…।” কিন্তু মালয়েশিয়ান প্রতিষ্ঠানটি আজ সকালে নিজেদের ওয়েবসাইটে যে বিবৃতি প্রকাশ করেছে, সেটিতে তারা স্পষ্টই উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশ ফুটবল লিগের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই, পেট্রোনাস নাম বা ব্র্যান্ড কোথাও ব্যবহারের অনুমোদন তারা কাউকে দেয়নি। এর মানে বাংলাদেশ ফুটবল লিগ নিয়ে কোনো ভাবনাই তাদের নেই, কখনো ছিল না। অথচ, বাফুফের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মনে হতে পারে, আপাতত এই মৌসুমের জন্য তারা বাংলাদেশ ফুটবল লিগের টাইটেল স্পনসর হতে পারছে না। পরের মৌসুমে তারা ভেবে দেখবে।
হামজা, শমিতদের নিয়ে দেশের ফুটবলে সাম্প্রতিককালে যে জোয়ার, ভারতকে হারানোর পর ফুটবল নিয়ে মানুষের যে আগ্রহ, তার ঠিক উল্টো জায়গায় আছে বাংলাদেশ ফুটবল লিগ। আকর্ষণহীন এই লিগের আকর্ষণ ফেরানোর ব্যাপারে বাফুফের উদ্যোগগুলো খুবই দুর্বল। মানহীন সম্প্রচার, মাঠ, স্টেডিয়াম–সবকিছুই লিগকে করছে ক্ষতিগ্রস্ত। এর মধ্যে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের নাম অযাচিতভাবে স্পনসর হিসেবে ব্যবহার করাটা ফুটবলকে দেশের বাইরেও প্রশ্নবিদ্ধ করে দিয়েছে।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।