চরচা ডেস্ক

ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের যাত্রায় এখন পর্যন্ত দেশের কোথাও যানজট দেখা যায়নি। তাই এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ মঙ্গলবার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় গোমা সেতুর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী বলেন, “ঈদকে ঘিরে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়ছেন। তাদের যাত্রা স্বস্তিদায়ক করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যে প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি, তাতে যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ও আরামদায়কের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে যাবে।”
তিনি আরও বলেন, “ঈদযাত্রায় মহাসড়কে যানজট হতে পারে এমন ২০৭টি স্পটসহ প্রতিটি হাইওয়ে ও ব্রিজে মনিটরিং করা হচ্ছে। তাই এখন পর্যন্ত কোনো জায়গায় যানজট হচ্ছেনা এবং এটা একটা সুসংবাদ। কয়েকটি জায়গায় গতি ধীর হলেও গাড়ি পার হয়ে যাচ্ছে। আশা করছি ঈদযাত্রা স্বস্তির হবে, নিরাপদ হবে এবং মানুষ মনের আনন্দ নিয়ে ঘরে ফিরবে।”
গোমা সেতুর প্রসঙ্গে সড়কমন্ত্রী বলেন, প্রায় ২৮৩ মিটার দীর্ঘ এই সেতু এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করেছে। প্রায় ৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি আনবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তিনি জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার নৌপথ নিয়মিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে সচল রাখা হচ্ছে এবং আরও নৌপথ উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা সদরঘাট থেকে বরিশাল পর্যন্ত নির্বিঘ্ন নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে কাজ চলছে।
রবিউল আলম বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন ছাড়া কোনো দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাই সরকার সড়ক, সেতু ও নৌপথ উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যাতে জনগণ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে।
এ সময় রেলপথ ও সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের যাত্রায় এখন পর্যন্ত দেশের কোথাও যানজট দেখা যায়নি। তাই এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আজ মঙ্গলবার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় গোমা সেতুর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী বলেন, “ঈদকে ঘিরে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়ছেন। তাদের যাত্রা স্বস্তিদায়ক করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যে প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি, তাতে যাত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে ও আরামদায়কের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে যাবে।”
তিনি আরও বলেন, “ঈদযাত্রায় মহাসড়কে যানজট হতে পারে এমন ২০৭টি স্পটসহ প্রতিটি হাইওয়ে ও ব্রিজে মনিটরিং করা হচ্ছে। তাই এখন পর্যন্ত কোনো জায়গায় যানজট হচ্ছেনা এবং এটা একটা সুসংবাদ। কয়েকটি জায়গায় গতি ধীর হলেও গাড়ি পার হয়ে যাচ্ছে। আশা করছি ঈদযাত্রা স্বস্তির হবে, নিরাপদ হবে এবং মানুষ মনের আনন্দ নিয়ে ঘরে ফিরবে।”
গোমা সেতুর প্রসঙ্গে সড়কমন্ত্রী বলেন, প্রায় ২৮৩ মিটার দীর্ঘ এই সেতু এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করেছে। প্রায় ৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি আনবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তিনি জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার নৌপথ নিয়মিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে সচল রাখা হচ্ছে এবং আরও নৌপথ উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা সদরঘাট থেকে বরিশাল পর্যন্ত নির্বিঘ্ন নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে কাজ চলছে।
রবিউল আলম বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন ছাড়া কোনো দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাই সরকার সড়ক, সেতু ও নৌপথ উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যাতে জনগণ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে।
এ সময় রেলপথ ও সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।