চরচা প্রতিবেদক

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছে এলাকার মানুষজন।
গত মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এলাকার মানুষরা জানায়, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী ঢাকায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করত। গত রাতে ঢাকা ঢাকা থেকে মুক্তাগাছা ফেরার পর বাড়ির পথে যাওয়ার সময় ওই ঘটনা ঘটে।
ওই কিশোরী মুক্তাগাছা বাসস্ট্যান্ডে নেমে সে বাড়ি যাওয়ার জন্য অটো রিকশায় ওঠে।
পথে দেখা হয় এলাকার পরিচিত পংকজ দে (১৯)-এর সঙ্গে। পংকজ তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে। অন্য একটি অটোতে উঠিয়ে পংকজ তাকে ভিন্ন পথে একটি বাগানে। সেখানে অটোচালক রোমান (২৩), আমির হোসেন (২৮) ও এমরান হোসেন (৩২) আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন।
ওই কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বুধবার রাতে সালিশের কথা বলে তিন ধর্ষককে ডেকে আনা হয়। ধর্ষণের কথা স্বীকার করলে তাদের পুলিশে হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ পংকজ দে, রোমান ও এমরান হোসেনকে আটক করে। আরেক অভিযুক্ত আমির হোসেন এখনো পলাতক।
বুধবার রাতেই ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে মুক্তাগাছা থানায় মামলা করেন। পরদিন বৃহস্পতিবার আটক তিন আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলে পাঠানো হয়েছে।
মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ জানান, ভুক্তভোগী কিশোরীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় জড়িত তিনজনকে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছে এলাকার মানুষজন।
গত মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এলাকার মানুষরা জানায়, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী ঢাকায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করত। গত রাতে ঢাকা ঢাকা থেকে মুক্তাগাছা ফেরার পর বাড়ির পথে যাওয়ার সময় ওই ঘটনা ঘটে।
ওই কিশোরী মুক্তাগাছা বাসস্ট্যান্ডে নেমে সে বাড়ি যাওয়ার জন্য অটো রিকশায় ওঠে।
পথে দেখা হয় এলাকার পরিচিত পংকজ দে (১৯)-এর সঙ্গে। পংকজ তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে। অন্য একটি অটোতে উঠিয়ে পংকজ তাকে ভিন্ন পথে একটি বাগানে। সেখানে অটোচালক রোমান (২৩), আমির হোসেন (২৮) ও এমরান হোসেন (৩২) আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন।
ওই কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বুধবার রাতে সালিশের কথা বলে তিন ধর্ষককে ডেকে আনা হয়। ধর্ষণের কথা স্বীকার করলে তাদের পুলিশে হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ পংকজ দে, রোমান ও এমরান হোসেনকে আটক করে। আরেক অভিযুক্ত আমির হোসেন এখনো পলাতক।
বুধবার রাতেই ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে মুক্তাগাছা থানায় মামলা করেন। পরদিন বৃহস্পতিবার আটক তিন আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলে পাঠানো হয়েছে।
মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ জানান, ভুক্তভোগী কিশোরীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।