চরচা প্রতিবেদক

আগামী নভেম্বর মাসে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে গণভোট এবং সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে (পিআর) সংসদ নির্বাচন আয়োজনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আজ সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি দল এই প্রস্তাব দেয়।
বৈঠক শেষে দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা প্রস্তাব করেছি, নভেম্বরে গণভোট করা হোক। দেশে পিআর সিস্টেমের জন্য আইনি প্রস্তুতি না থাকলেও সিদ্ধান্ত নিলে তা সম্ভব।”
জামায়াতের নায়েবে আমির জানান, নির্বাচন কমিশন বলেছে-সরকার সিদ্ধান্ত নিলে তারা গণভোট আয়োজনের জন্য প্রস্তুত।
তাহের বলেন, “আমাদের কেউ কেউ বলে, একসাথে নির্বাচন ও গণভোট করতে গিয়ে যদি জটিলতা হয় তাহলে দুটোই অনিশ্চিত হয়ে যাবে। জাতীয় নির্বাচনে ঝামেলা হলে আম-ছালা দুইটাই যাবে।”
জামায়াতের এই নেতা বলেন, “পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে কেন্দ্র দখল, রাতের ভোট, অনিয়ম অনেকটাই কমে যাবে। তাই আমরা বলেছি, পিআর ও প্রচলিত উভয় পদ্ধতি বিবেচনায় নেওয়া উচিত।”
গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে না করার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তাহের বলেন, “একসাথে হলে দলীয় প্রতীকের প্রতিযোগিতায় সংস্কারের ইস্যু আড়ালে চলে যাবে। কোথাও ভোট স্থগিত হলে গণভোটও থেমে যাবে। জাতীয় নির্বাচন জনপ্রতিনিধি বেছে নেওয়ার জন্য, আর গণভোট জাতির সংস্কারের জন্য—দুইয়ের প্রকৃতি আলাদা।”
ব্যয় নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “গণভোটে বড় কোনো খরচ লাগে না-একই বাক্স, শুধু ব্যালট আলাদা হবে, সামান্য অতিরিক্ত ভাতা দিতে হবে কর্মকর্তাদের।”
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, “অতীতে ১০ বা ২১ দিনের ব্যবধানেও গণভোট হয়েছে। তাই নভেম্বরে গণভোট আয়োজন সম্ভব।”

আগামী নভেম্বর মাসে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে গণভোট এবং সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে (পিআর) সংসদ নির্বাচন আয়োজনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আজ সোমবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি দল এই প্রস্তাব দেয়।
বৈঠক শেষে দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা প্রস্তাব করেছি, নভেম্বরে গণভোট করা হোক। দেশে পিআর সিস্টেমের জন্য আইনি প্রস্তুতি না থাকলেও সিদ্ধান্ত নিলে তা সম্ভব।”
জামায়াতের নায়েবে আমির জানান, নির্বাচন কমিশন বলেছে-সরকার সিদ্ধান্ত নিলে তারা গণভোট আয়োজনের জন্য প্রস্তুত।
তাহের বলেন, “আমাদের কেউ কেউ বলে, একসাথে নির্বাচন ও গণভোট করতে গিয়ে যদি জটিলতা হয় তাহলে দুটোই অনিশ্চিত হয়ে যাবে। জাতীয় নির্বাচনে ঝামেলা হলে আম-ছালা দুইটাই যাবে।”
জামায়াতের এই নেতা বলেন, “পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে কেন্দ্র দখল, রাতের ভোট, অনিয়ম অনেকটাই কমে যাবে। তাই আমরা বলেছি, পিআর ও প্রচলিত উভয় পদ্ধতি বিবেচনায় নেওয়া উচিত।”
গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে না করার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তাহের বলেন, “একসাথে হলে দলীয় প্রতীকের প্রতিযোগিতায় সংস্কারের ইস্যু আড়ালে চলে যাবে। কোথাও ভোট স্থগিত হলে গণভোটও থেমে যাবে। জাতীয় নির্বাচন জনপ্রতিনিধি বেছে নেওয়ার জন্য, আর গণভোট জাতির সংস্কারের জন্য—দুইয়ের প্রকৃতি আলাদা।”
ব্যয় নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “গণভোটে বড় কোনো খরচ লাগে না-একই বাক্স, শুধু ব্যালট আলাদা হবে, সামান্য অতিরিক্ত ভাতা দিতে হবে কর্মকর্তাদের।”
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, “অতীতে ১০ বা ২১ দিনের ব্যবধানেও গণভোট হয়েছে। তাই নভেম্বরে গণভোট আয়োজন সম্ভব।”

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।