চরচা প্রতিবেদক

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বড় প্রভাব পড়তে পারে খাদ্য নিরাপত্তায়। বিশেষত ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে কৃষি উৎপাদনে ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রবল।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জেরে গত ১৮ এপ্রিল দেশে ভোক্তা পর্যায়ে সব ধরনের জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার রাত ১২টার পর থেকেই এ দাম কার্যকর হয়।
নতুন দর অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেলের দাম নির্ধারণ করা হয় ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রল ১৩৫ টাকা ও কেরোসিন ১৩০ টাকা। এর মধ্যে ডিজেলের দাম বেড়েছে লিটারে ১৫ টাকা। পাশাপাশি কেরোসিনের দাম লিটারে ১৮ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকা হয়েছে।
এ দাম বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব দেশের উৎপাদন খাতে পড়বে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। বিশেষত কৃষি খাতে এর প্রভাব পড়বে সরাসরি।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তথ্যমতে, দেশে বছরে ডিজেলের মোট চাহিদা প্রায় ৪৩.৫ লাখ টন। এর মধ্যে প্রায় ২৪ শতাংশ বা প্রায় ১০.৪৪ লাখ টন সরাসরি কৃষিকাজে (সেচ পাম্প, পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টর) ব্যবহৃত হয়।
কৃষি খাত বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বৃদ্ধি করায় কৃষিতে ব্যবহৃত ডিজেল বাবদই বাড়তি ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ৫৬৬ কোটি টাকা! এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে উল্লেখযোগ্য হারে। বাড়তি এ উৎপাদন ব্যয়ের প্রভাব সরাসরি পড়বে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে।
একইভাবে উৎপাদননির্ভর শিল্পেও এর প্রভাব পড়বে। বিশেষত পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির দরুণ এ ব্যয় বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর বিদ্যুতের দাম ছাড়া এখন পর্যন্ত ফার্নেস তেল, জেট ফুয়েল, এলপি গ্যাস, পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল, কেরোসিনসহ সব জ্বালানি পণ্যের দাম বাড়িয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাবে মূল্যস্ফীতি ১২ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন অর্থনীতিবিদরা।
এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ গোলাম মোয়াজ্জেম চরচাকে বলেন, “জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির ফলে ‘কস্ট-পুশ ইনফ্লেশন’ বা ব্যয়জনিত মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পরিবহন, উৎপাদন ও বিপণনের প্রতিটি ধাপে ব্যয় বাড়ায় শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব ভোক্তার ওপরই পড়বে।”
আর ভোক্তার ওপর সার্বিক চাপ এলে তা শেষ পর্যন্ত ক্রয়ক্ষমতাকে সংকুচিত করবে। এতে সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষদের একটা বড় অংশে খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে।
ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম চরচাকে বলেন, “সংকটকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে জ্বালানি খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জোর দিলে, দাম না বাড়িয়েও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যেত। এতে সুফল পেত বাংলাদেশের মানুষ ও সরকার–দুই পক্ষই।”

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বড় প্রভাব পড়তে পারে খাদ্য নিরাপত্তায়। বিশেষত ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে কৃষি উৎপাদনে ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রবল।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জেরে গত ১৮ এপ্রিল দেশে ভোক্তা পর্যায়ে সব ধরনের জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার রাত ১২টার পর থেকেই এ দাম কার্যকর হয়।
নতুন দর অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেলের দাম নির্ধারণ করা হয় ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রল ১৩৫ টাকা ও কেরোসিন ১৩০ টাকা। এর মধ্যে ডিজেলের দাম বেড়েছে লিটারে ১৫ টাকা। পাশাপাশি কেরোসিনের দাম লিটারে ১৮ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকা হয়েছে।
এ দাম বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব দেশের উৎপাদন খাতে পড়বে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। বিশেষত কৃষি খাতে এর প্রভাব পড়বে সরাসরি।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তথ্যমতে, দেশে বছরে ডিজেলের মোট চাহিদা প্রায় ৪৩.৫ লাখ টন। এর মধ্যে প্রায় ২৪ শতাংশ বা প্রায় ১০.৪৪ লাখ টন সরাসরি কৃষিকাজে (সেচ পাম্প, পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টর) ব্যবহৃত হয়।
কৃষি খাত বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ১৫ টাকা বৃদ্ধি করায় কৃষিতে ব্যবহৃত ডিজেল বাবদই বাড়তি ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ৫৬৬ কোটি টাকা! এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে উল্লেখযোগ্য হারে। বাড়তি এ উৎপাদন ব্যয়ের প্রভাব সরাসরি পড়বে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে।
একইভাবে উৎপাদননির্ভর শিল্পেও এর প্রভাব পড়বে। বিশেষত পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির দরুণ এ ব্যয় বাড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর বিদ্যুতের দাম ছাড়া এখন পর্যন্ত ফার্নেস তেল, জেট ফুয়েল, এলপি গ্যাস, পেট্রোল, অকটেন, ডিজেল, কেরোসিনসহ সব জ্বালানি পণ্যের দাম বাড়িয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাবে মূল্যস্ফীতি ১২ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন অর্থনীতিবিদরা।
এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ গোলাম মোয়াজ্জেম চরচাকে বলেন, “জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির ফলে ‘কস্ট-পুশ ইনফ্লেশন’ বা ব্যয়জনিত মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পরিবহন, উৎপাদন ও বিপণনের প্রতিটি ধাপে ব্যয় বাড়ায় শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব ভোক্তার ওপরই পড়বে।”
আর ভোক্তার ওপর সার্বিক চাপ এলে তা শেষ পর্যন্ত ক্রয়ক্ষমতাকে সংকুচিত করবে। এতে সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষদের একটা বড় অংশে খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে।
ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম চরচাকে বলেন, “সংকটকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে জ্বালানি খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জোর দিলে, দাম না বাড়িয়েও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যেত। এতে সুফল পেত বাংলাদেশের মানুষ ও সরকার–দুই পক্ষই।”