চরচা প্রতিবেদক

সংসদ নির্বাচনের প্রচারে বিভিন্ন এলাকায় গোলযোগের পাশাপাশি উঠছে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ। বিশেষ করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন একাধিক প্রার্থী। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হচ্ছে না।
এমন প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, “অবশ্যই আছে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। আছে বলেই তো অভিযোগ করতে পারছেন, যদি না থাকতো এটা কি হতো?”
আজ সোমবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
আচরণবিধি প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, ইতোমধ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও তা অনেক সময় দৃশ্যমান হয় না। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী অনুসন্ধান ও তদন্ত কমিটিকে জানাতে পরামর্শ দেন তিনি।
সচিব বলেন, “ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড এডজুডিকেশন কমিটির কাছে আপনারা জানান। জানিয়ে আমাদেরকে কপি দেন। আই উইল ফলো ইট। কিন্তু আমাকে যদি বলেন যে, আপনি ঘুরে ঘুরে গিয়ে দেখেন তাহলে এটা আমার প্রতি মিস ক্যারেজ অব জাস্টিস হবে।”
ঢাকা-১১ এবং ঢাকা-১৩ আসনে পোস্টার চোখে পড়ার পর সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের মাধ্যমে তা সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়ার অভিজ্ঞতার কথাও জানান ইসি সচিব।
গতকাল রোববার বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকদের ব্রিফ করেছে ইসি। এ প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় অগ্রগতির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
ইসি সচিব জানান, নিরাপত্তা বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়েছে।
আখতার আহমেদ বলেন, “কূটনীতিকরা জানতে চেয়েছেন, মেইনলি সেটা হচ্ছে ভোটের রেজাল্ট কতক্ষণে হতে পারে? আমরা যেটা বলেছি যে রেজাল্ট আমাদের হিসাব মতে এটা কেন্দ্রের রেজাল্ট গ্রহণ সময় মতনই হয়ে যাবে। তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা বা চার ঘণ্টা… ডিপেন্ডিং অন দ্য নাম্বার অফ ভোট কাস্টেড।”
তিনি আরও বলেন, যেসব রিটার্নিং অফিসারের অধীনে প্রবাসীদের ভোটের কেন্দ্র রয়েছে, সেখানে গণনার সময় তুলনামূলক বেশি লাগবে।
এর কারণ ব্যাখ্যা করে ইসি সচিব জানান, দুটি ব্যালট পেপারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে—একটি প্রবাসীদের জন্য এবং অন্যটি দেশের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত ব্যালট। প্রবাসীদের জন্য ব্যবহৃত ব্যালট পেপার এ ফোর সাইজের, দুই পার্টে দুই পাশেই ছাপা থাকে, যার কারণে সিম্বল স্ক্যান করতে হয়।
তিনি বলেন, কোনো আসনে শতাধিক কেন্দ্র থাকলেও পুরো সংসদীয় আসনের পোস্টাল ব্যালটের জন্য থাকবে একটি কেন্দ্র। সেখানে সব পোস্টাল ব্যালট স্ক্যান করে গণনা করা হবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, ফেনী-৩ আসনে ১৬ হাজারের বেশি পোস্টাল ব্যালট একটি কেন্দ্রে গণনা করতে হবে, ফলে সেখানে সময়ও বেশি লাগবে।

সংসদ নির্বাচনের প্রচারে বিভিন্ন এলাকায় গোলযোগের পাশাপাশি উঠছে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ। বিশেষ করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন একাধিক প্রার্থী। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হচ্ছে না।
এমন প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, “অবশ্যই আছে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। আছে বলেই তো অভিযোগ করতে পারছেন, যদি না থাকতো এটা কি হতো?”
আজ সোমবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
আচরণবিধি প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, ইতোমধ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও তা অনেক সময় দৃশ্যমান হয় না। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী অনুসন্ধান ও তদন্ত কমিটিকে জানাতে পরামর্শ দেন তিনি।
সচিব বলেন, “ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড এডজুডিকেশন কমিটির কাছে আপনারা জানান। জানিয়ে আমাদেরকে কপি দেন। আই উইল ফলো ইট। কিন্তু আমাকে যদি বলেন যে, আপনি ঘুরে ঘুরে গিয়ে দেখেন তাহলে এটা আমার প্রতি মিস ক্যারেজ অব জাস্টিস হবে।”
ঢাকা-১১ এবং ঢাকা-১৩ আসনে পোস্টার চোখে পড়ার পর সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের মাধ্যমে তা সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়ার অভিজ্ঞতার কথাও জানান ইসি সচিব।
গতকাল রোববার বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকদের ব্রিফ করেছে ইসি। এ প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ বলেন, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় অগ্রগতির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
ইসি সচিব জানান, নিরাপত্তা বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়েছে।
আখতার আহমেদ বলেন, “কূটনীতিকরা জানতে চেয়েছেন, মেইনলি সেটা হচ্ছে ভোটের রেজাল্ট কতক্ষণে হতে পারে? আমরা যেটা বলেছি যে রেজাল্ট আমাদের হিসাব মতে এটা কেন্দ্রের রেজাল্ট গ্রহণ সময় মতনই হয়ে যাবে। তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা বা চার ঘণ্টা… ডিপেন্ডিং অন দ্য নাম্বার অফ ভোট কাস্টেড।”
তিনি আরও বলেন, যেসব রিটার্নিং অফিসারের অধীনে প্রবাসীদের ভোটের কেন্দ্র রয়েছে, সেখানে গণনার সময় তুলনামূলক বেশি লাগবে।
এর কারণ ব্যাখ্যা করে ইসি সচিব জানান, দুটি ব্যালট পেপারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে—একটি প্রবাসীদের জন্য এবং অন্যটি দেশের অভ্যন্তরে ব্যবহৃত ব্যালট। প্রবাসীদের জন্য ব্যবহৃত ব্যালট পেপার এ ফোর সাইজের, দুই পার্টে দুই পাশেই ছাপা থাকে, যার কারণে সিম্বল স্ক্যান করতে হয়।
তিনি বলেন, কোনো আসনে শতাধিক কেন্দ্র থাকলেও পুরো সংসদীয় আসনের পোস্টাল ব্যালটের জন্য থাকবে একটি কেন্দ্র। সেখানে সব পোস্টাল ব্যালট স্ক্যান করে গণনা করা হবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, ফেনী-৩ আসনে ১৬ হাজারের বেশি পোস্টাল ব্যালট একটি কেন্দ্রে গণনা করতে হবে, ফলে সেখানে সময়ও বেশি লাগবে।