চরচা ডেস্ক

যৌন অপরাধী এপস্টেইন ফাইল নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে, বেরিয়ে আসছে একের পর এক নাম। সেই তালিকায় রয়েছেন আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন এবং সাবেক ফার্স্ট লেডি হিলারি ক্লিন্টনও। অবশেষে আমেরিকান কংগ্রেসের সামনে সাক্ষ্য দিতে রাজি হয়েছেন তারা। যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে তাদের কী সম্পর্ক, এবার সেই তথ্য সামনে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গতকাল সোমবার সাবেক প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র অ্যাঞ্জেল উরেনা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রয়াত জেফ্রি এপস্টেইনকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের তদন্তে সাক্ষ্য দেবেন তারা। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জেফ্রি এপস্টেইন ছিলেন একজন মার্কিন ধনকুবের। কিন্তু তার আসল পরিচিতি ছিল অন্য জায়গায়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, তার ব্যক্তিগত দ্বীপ ‘লিটল সেন্ট জেমস’ পরিচিতি পায় ‘পাপের দ্বীপ’ হিসেবে, যেখানে চলতো অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের পাচার এবং যৌন নিপীড়ন।
সম্প্রতি আইনপ্রণেতাদের প্রবল চাপ এবং নতুন আইনের বাধ্যবাধকতায় প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত তদন্তের ৩ লক্ষাধিক পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করেছে আমেরিকার বিচার বিভাগ।
এগুলো মূলত ভার্জিনিয়া জুফ্রে নামে এক ভিকটিমের করা মামলার অংশ। এই নথিতেই লুকিয়ে আছে সেই সব নাম, যারা বিভিন্ন সময় এপস্টেইনের আতিথেয়তা গ্রহণ করেছিলেন।
গত বছরের ডিসেম্বরে প্রথম দফায় এপস্টেইন সংশ্লিষ্ট ৩ হাজার ৯৬৫টি ফাইল প্রকাশ করা হয়। সেই সময়ে সামনে আসে বিল ক্লিন্টনের বেশ কিছু ছবি। তার আগে হিলারি ক্লিন্টনের নামও উঠে এসেছিল এপস্টেইন ফাইলে।
এর পরেই বিল এবং হিলারিকে সমন পাঠায় হাউস রুলস কমিটি। কিন্তু সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করেছিলেন ক্লিন্টন দম্পতি। তবে এপস্টেইন কাণ্ডে চলমান চাপের মুখে এবার সাক্ষ্য দিতে রাজী হয়েছেন এই দম্পতি।
রয়টার্স জানিয়েছে, বিল ক্লিনটন এর আগে এপস্টেইনের সঙ্গে মেলামেশার জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেছিলেন। তবে তিনি বারবার দাবি করে এসেছেন যে, এপস্টেইনের কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা পাচারের বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না।
রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিচার বিভাগকে এপস্টেইনের সঙ্গে ক্লিনটনের সম্পর্কের বিষয়ে বিশদ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সমালোচকদের দাবি, নিজের সাথে এপস্টেইনের পুরনো সম্পর্কের বিষয় থেকে জনদৃষ্টি সরাতেই ট্রাম্প ক্লিনটনকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছেন।

যৌন অপরাধী এপস্টেইন ফাইল নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে, বেরিয়ে আসছে একের পর এক নাম। সেই তালিকায় রয়েছেন আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন এবং সাবেক ফার্স্ট লেডি হিলারি ক্লিন্টনও। অবশেষে আমেরিকান কংগ্রেসের সামনে সাক্ষ্য দিতে রাজি হয়েছেন তারা। যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে তাদের কী সম্পর্ক, এবার সেই তথ্য সামনে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গতকাল সোমবার সাবেক প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র অ্যাঞ্জেল উরেনা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রয়াত জেফ্রি এপস্টেইনকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের তদন্তে সাক্ষ্য দেবেন তারা। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জেফ্রি এপস্টেইন ছিলেন একজন মার্কিন ধনকুবের। কিন্তু তার আসল পরিচিতি ছিল অন্য জায়গায়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, তার ব্যক্তিগত দ্বীপ ‘লিটল সেন্ট জেমস’ পরিচিতি পায় ‘পাপের দ্বীপ’ হিসেবে, যেখানে চলতো অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের পাচার এবং যৌন নিপীড়ন।
সম্প্রতি আইনপ্রণেতাদের প্রবল চাপ এবং নতুন আইনের বাধ্যবাধকতায় প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত তদন্তের ৩ লক্ষাধিক পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করেছে আমেরিকার বিচার বিভাগ।
এগুলো মূলত ভার্জিনিয়া জুফ্রে নামে এক ভিকটিমের করা মামলার অংশ। এই নথিতেই লুকিয়ে আছে সেই সব নাম, যারা বিভিন্ন সময় এপস্টেইনের আতিথেয়তা গ্রহণ করেছিলেন।
গত বছরের ডিসেম্বরে প্রথম দফায় এপস্টেইন সংশ্লিষ্ট ৩ হাজার ৯৬৫টি ফাইল প্রকাশ করা হয়। সেই সময়ে সামনে আসে বিল ক্লিন্টনের বেশ কিছু ছবি। তার আগে হিলারি ক্লিন্টনের নামও উঠে এসেছিল এপস্টেইন ফাইলে।
এর পরেই বিল এবং হিলারিকে সমন পাঠায় হাউস রুলস কমিটি। কিন্তু সাক্ষ্য দিতে অস্বীকার করেছিলেন ক্লিন্টন দম্পতি। তবে এপস্টেইন কাণ্ডে চলমান চাপের মুখে এবার সাক্ষ্য দিতে রাজী হয়েছেন এই দম্পতি।
রয়টার্স জানিয়েছে, বিল ক্লিনটন এর আগে এপস্টেইনের সঙ্গে মেলামেশার জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেছিলেন। তবে তিনি বারবার দাবি করে এসেছেন যে, এপস্টেইনের কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা পাচারের বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না।
রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিচার বিভাগকে এপস্টেইনের সঙ্গে ক্লিনটনের সম্পর্কের বিষয়ে বিশদ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সমালোচকদের দাবি, নিজের সাথে এপস্টেইনের পুরনো সম্পর্কের বিষয় থেকে জনদৃষ্টি সরাতেই ট্রাম্প ক্লিনটনকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছেন।