ads

প্রাথমিকে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী

চরচা ডেস্ক
চরচা ডেস্ক
প্রাথমিকে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: ইউএনবি

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সারা দেশে মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “শিক্ষার্থীদের মেধা অন্বেষণ, স্বীকৃতি প্রদান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করে জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়।”

এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়েছে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ৪৬ হাজার ২৮১ জন। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র ৩৫ হাজার ৮৯২ জন (৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ) এবং ছাত্রী ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন (৫৪ দশমিক ৭১ শতাংশ)।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৬ লাখ ৪০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এবং প্রায় ৯০ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী রয়েছে।”

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬ অনুযায়ী, দেশব্যাপী মোট ৮২ হাজার ৫০০টি বৃত্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ৩৩ হাজার এবং সাধারণ বৃত্তি ৪৯ হাজার ৫০০টি। ট্যালেন্টপুল বৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৮০ শতাংশ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ২০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়।”

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “সাধারণ বৃত্তির ৪৯ হাজার ৫০০টির মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৩৯ হাজার ৬০০টি বৃত্তি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক পাঁচটি করে (দুইজন ছাত্র, দুইজন ছাত্রী এবং একটি মেধার ভিত্তিতে) বরাদ্দ রাখা হয়। এছাড়া বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য উপজেলাভিত্তিক ২০ শতাংশ সাধারণ বৃত্তি সংরক্ষণ করা হয়।”

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, পরীক্ষায় মোট ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৬০৫টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয় ১৩ হাজার ২০৫টি। মোট নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৪১ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ৫৬ হাজার ১১৭ জন এবং ছাত্রী ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৯২৪ জন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, পরীক্ষায় মোট উপস্থিত ছিল ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৮২ জন শিক্ষার্থী, যা নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর ৬৫ দশমিক ১১ শতাংশ। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের ৩ লাখ ৪৪ হাজার ১২৭ জন (৬২ দশমিক ১ শতাংশ) এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৭৫ হাজার ৮৫৫ জন (৮৪ দশমিক ১৬ শতাংশ) পরীক্ষায় অংশ নেয়। উপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৪১ জন (৩৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ) এবং ছাত্রী ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪১ জন (৬০ দশমিক ৩২ শতাংশ)।

সম্পর্কিত