চরচা ডেস্ক

জাতীয় নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে গতকাল সোমবার রাতে আমেরিকার সঙ্গে বহুল আলোচিত পাল্টা (রেসিপ্রোকাল) শুল্কসংক্রান্ত বাণিজ্য চুক্তি সই করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তির পর বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশটির আরোপিত পাল্টা শুল্কহার ২০ থেকে কমে ১৯ শতাংশ হয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকা থেকে থেকে তুলা ও কৃত্রিম তন্তু আমদানি করে তৈরি করা পোশাক দেশটিতে রপ্তানি করা হলে তাতে কোনো পাল্টা শুল্ক আরোপ হবে না।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা বাসস।
সোমবার ওয়াশিংটনে এ চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। আমেরিকার পক্ষে সই করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার।
চুক্তিটি সোমবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে। দুই দেশ প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করলে এটি কার্যকর হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় নয় মাস ধরে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা করে দুই দেশ। গত বছরের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই আলোচনার মধ্য দিয়েই চুক্তিটি চূড়ান্ত রূপ পায়।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন বলেন, “এই চুক্তি বাংলাদেশ ও আমেরিকার দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে নতুন ঐতিহাসিক স্তরে নিয়ে যাবে। এর ফলে দুই দেশই একে অপরের বাজারে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তি প্রবেশাধিকার পাবে।”
চুক্তির আওতায় আমেরিকা বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্কহার ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনতে সম্মত হয়েছে। এর আগে এই শুল্কহার ছিল ৩৭ শতাংশ, যা গত বছরের আগস্টে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। নতুন চুক্তির মাধ্যমে তা আরও এক শতাংশ কমানো হলো।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ ছাড়া আমেরিকার উৎপাদিত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু ব্যবহার করে বাংলাদেশে উৎপাদিত নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্র ও পোশাকপণ্যের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শূন্য শতাংশ পাল্টা শুল্ক সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সম্মত হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেন, “২০ শতাংশ থেকে শুল্কহার ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনা বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য আরও সুবিধা বয়ে আনবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্র ও পোশাকপণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে উল্লেখযোগ্য গতি সঞ্চার করবে।”
এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক কমলেও ভারতের থেকে এখনো এক শতাংশ বেশিই রয়েছে। সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি করে আমেরিকা। ওই চুক্তির আওতায় ভারতীয় পণ্যে ১৮ শতাংশ শুল্কারোপ করে ওয়াশিংটন।

জাতীয় নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে গতকাল সোমবার রাতে আমেরিকার সঙ্গে বহুল আলোচিত পাল্টা (রেসিপ্রোকাল) শুল্কসংক্রান্ত বাণিজ্য চুক্তি সই করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তির পর বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশটির আরোপিত পাল্টা শুল্কহার ২০ থেকে কমে ১৯ শতাংশ হয়েছে। পাশাপাশি আমেরিকা থেকে থেকে তুলা ও কৃত্রিম তন্তু আমদানি করে তৈরি করা পোশাক দেশটিতে রপ্তানি করা হলে তাতে কোনো পাল্টা শুল্ক আরোপ হবে না।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা বাসস।
সোমবার ওয়াশিংটনে এ চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। আমেরিকার পক্ষে সই করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার।
চুক্তিটি সোমবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে। দুই দেশ প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করলে এটি কার্যকর হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চ উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় নয় মাস ধরে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা করে দুই দেশ। গত বছরের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই আলোচনার মধ্য দিয়েই চুক্তিটি চূড়ান্ত রূপ পায়।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন বলেন, “এই চুক্তি বাংলাদেশ ও আমেরিকার দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে নতুন ঐতিহাসিক স্তরে নিয়ে যাবে। এর ফলে দুই দেশই একে অপরের বাজারে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তি প্রবেশাধিকার পাবে।”
চুক্তির আওতায় আমেরিকা বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্কহার ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনতে সম্মত হয়েছে। এর আগে এই শুল্কহার ছিল ৩৭ শতাংশ, যা গত বছরের আগস্টে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। নতুন চুক্তির মাধ্যমে তা আরও এক শতাংশ কমানো হলো।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ ছাড়া আমেরিকার উৎপাদিত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু ব্যবহার করে বাংলাদেশে উৎপাদিত নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্র ও পোশাকপণ্যের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শূন্য শতাংশ পাল্টা শুল্ক সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সম্মত হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেন, “২০ শতাংশ থেকে শুল্কহার ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনা বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য আরও সুবিধা বয়ে আনবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্র ও পোশাকপণ্যে শূন্য শুল্ক সুবিধা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে উল্লেখযোগ্য গতি সঞ্চার করবে।”
এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক কমলেও ভারতের থেকে এখনো এক শতাংশ বেশিই রয়েছে। সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি করে আমেরিকা। ওই চুক্তির আওতায় ভারতীয় পণ্যে ১৮ শতাংশ শুল্কারোপ করে ওয়াশিংটন।