চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর আসাদগেটে এক বিচারকের ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ার ঘটনায় মো. জুয়েল (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া মোবাইল ও চশমা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আসাদগেট এলাকার তেলের পাম্পসংলগ্ন এলাকা থেকে ওই তাকে আটক করা হয়।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাউল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত বুধবার পৌনে নয়টার দিকে আসাদগেট ওভারব্রিজের নিচে তিন ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২, ঢাকা-এর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ অরুণাভা চক্রবর্তী। সে সময় বিচারকের কাছ থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ও চশমা নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।
ওসি ইমাউল হক জানান, ঘটনার পর আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসাদগেটের পাম্পের পাশ থেকে বিচারকের ছিনতাই হওয়া মোবাইল, চশমা ও একটি রডসহ এক ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারের বিষয়টি বিচারককে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন বিচারক অরুণাভা। এখন তিনি মামলা না করলে, ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

রাজধানীর আসাদগেটে এক বিচারকের ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ার ঘটনায় মো. জুয়েল (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া মোবাইল ও চশমা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আসাদগেট এলাকার তেলের পাম্পসংলগ্ন এলাকা থেকে ওই তাকে আটক করা হয়।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাউল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত বুধবার পৌনে নয়টার দিকে আসাদগেট ওভারব্রিজের নিচে তিন ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২, ঢাকা-এর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ অরুণাভা চক্রবর্তী। সে সময় বিচারকের কাছ থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ও চশমা নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।
ওসি ইমাউল হক জানান, ঘটনার পর আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসাদগেটের পাম্পের পাশ থেকে বিচারকের ছিনতাই হওয়া মোবাইল, চশমা ও একটি রডসহ এক ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারের বিষয়টি বিচারককে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন বিচারক অরুণাভা। এখন তিনি মামলা না করলে, ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।