চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এখনও কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান জিআইজেএন–এর এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এমন অবস্থা তুলে ধরা হয়।
জিআইজেএন–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের পর আশাবাদ তৈরি হলেও, গণমাধ্যম নতুন শাসনব্যবস্থা ঘিরে সতর্ক অবস্থানে আছে। বিশ্ব গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশ ১৬ ধাপ এগিয়েছে। তবে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশে ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, দেশে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অনেক সংবাদ সংস্থা এখন "পর্যবেক্ষণ ও অপেক্ষা" নীতি অনুসরণ করছে। দেশের রাজনৈতিক অবস্থার জন্য এ ধরনের কৌশল অবলম্বন করা হয়। কিছু সাংবাদিকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকা সত্ত্বেও প্রতিবেদন প্রকাশ সীমিত করে দেওয়া হচ্ছে।
এই পদক্ষেপের একটি বড় কারণ হলো ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন, যা এখনও কার্যকর। আইনটিতে প্রায়শই সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে ক্ষমতাসীনদের প্রশ্ন করা বা ভিন্নমত প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের বিচার ও কারাবন্দি হতে হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে ডেইলি স্টারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ২০২৪ সালে দেশব্যাপী জাতীয় বিক্ষোভ-সম্পর্কিত বিভিন্ন মামলায় কমপক্ষে ২৬৬ জন সাংবাদিককে জড়ানো হয়েছে এবং ২০ জনেরও বেশি সাংবাদিক বর্তমানে কারাগারে আছেন।
যদিও সাংবাদিকরা এই কঠিন পরিস্থিতিতেও কাজ করছেন, তবুও বড় অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সংখ্যা কমে যাওয়া এবং "পর্যবেক্ষণ ও অপেক্ষা"র মতো সতর্কতা নীতি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করে জিআইজেএন।

বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এখনও কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান জিআইজেএন–এর এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এমন অবস্থা তুলে ধরা হয়।
জিআইজেএন–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের পর আশাবাদ তৈরি হলেও, গণমাধ্যম নতুন শাসনব্যবস্থা ঘিরে সতর্ক অবস্থানে আছে। বিশ্ব গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশ ১৬ ধাপ এগিয়েছে। তবে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশে ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, দেশে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অনেক সংবাদ সংস্থা এখন "পর্যবেক্ষণ ও অপেক্ষা" নীতি অনুসরণ করছে। দেশের রাজনৈতিক অবস্থার জন্য এ ধরনের কৌশল অবলম্বন করা হয়। কিছু সাংবাদিকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকা সত্ত্বেও প্রতিবেদন প্রকাশ সীমিত করে দেওয়া হচ্ছে।
এই পদক্ষেপের একটি বড় কারণ হলো ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন, যা এখনও কার্যকর। আইনটিতে প্রায়শই সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে ক্ষমতাসীনদের প্রশ্ন করা বা ভিন্নমত প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের বিচার ও কারাবন্দি হতে হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে ডেইলি স্টারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ২০২৪ সালে দেশব্যাপী জাতীয় বিক্ষোভ-সম্পর্কিত বিভিন্ন মামলায় কমপক্ষে ২৬৬ জন সাংবাদিককে জড়ানো হয়েছে এবং ২০ জনেরও বেশি সাংবাদিক বর্তমানে কারাগারে আছেন।
যদিও সাংবাদিকরা এই কঠিন পরিস্থিতিতেও কাজ করছেন, তবুও বড় অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সংখ্যা কমে যাওয়া এবং "পর্যবেক্ষণ ও অপেক্ষা"র মতো সতর্কতা নীতি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করে জিআইজেএন।

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।