চরচা ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির জনপ্রিয় বিগ টিকিট লটারিতে ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) দিরহামের জ্যাকপট পুরস্কার জিতেছেন শারজাহপ্রবাসী বাংলাদেশি হারুন সরদার নূর নবী সরদার।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
২ কোটি দিরহাম বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) বিগ টিকিটের (সিরিজ ২৭৯) ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ০৩৫৩৫০ নম্বর টিকিট কেনেন হারুন।
শো সঞ্চালক রিচার্ড ও বুশরার সঙ্গে ‘গোল্ডেন ফোনে’ কথা বলার সময় লটারি জেতার কথা শুনে বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়েন হারুন। তিনি বলতে থাকেন, ‘ওকে, ওকে। আমি বাংলাদেশি। শারজাহতে আছি। আমি একজন প্রাইভেট ট্যাক্সিচালক। ওকে, থ্যাঙ্ক ইউ। আমি এই পুরস্কার ১০ জনের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি।’
৪৪ বছর বয়সী ট্যাক্সিচালক হারুন ২০০৯ সাল থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করছেন। শারজাহতে ট্যাক্সি চালান তিনি। গত ১৫ বছর ধরে আবুধাবিকেই নিজের ঘর মনে করেন তিনি। তার পরিবার বাংলাদেশে থাকে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির জনপ্রিয় বিগ টিকিট লটারিতে ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) দিরহামের জ্যাকপট পুরস্কার জিতেছেন শারজাহপ্রবাসী বাংলাদেশি হারুন সরদার নূর নবী সরদার।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
২ কোটি দিরহাম বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) বিগ টিকিটের (সিরিজ ২৭৯) ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ০৩৫৩৫০ নম্বর টিকিট কেনেন হারুন।
শো সঞ্চালক রিচার্ড ও বুশরার সঙ্গে ‘গোল্ডেন ফোনে’ কথা বলার সময় লটারি জেতার কথা শুনে বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়েন হারুন। তিনি বলতে থাকেন, ‘ওকে, ওকে। আমি বাংলাদেশি। শারজাহতে আছি। আমি একজন প্রাইভেট ট্যাক্সিচালক। ওকে, থ্যাঙ্ক ইউ। আমি এই পুরস্কার ১০ জনের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি।’
৪৪ বছর বয়সী ট্যাক্সিচালক হারুন ২০০৯ সাল থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করছেন। শারজাহতে ট্যাক্সি চালান তিনি। গত ১৫ বছর ধরে আবুধাবিকেই নিজের ঘর মনে করেন তিনি। তার পরিবার বাংলাদেশে থাকে।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই প্রতারক চক্রের এই দুই সদস্য অর্থের বিনিময়ে ও যোগসাজসে ওটিপি ট্রান্সফারের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডির মূল সার্ভারে প্রবেশ করে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ও তা বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াকে প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে বিক্রি করত।