চরচা প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের লকডাউন প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “১৩ নভেম্বর ঘিরে শক্ত অবস্থানের জন্য আমাদের প্যাট্রোলিং বাড়ানো হয়েছে। কেপিআইগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া যেখানে-সেখানে খোলা তেল বিক্রি বন্ধসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “সন্ত্রাসীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। আগামী ১৩ তারিখ ঘিরে আমাদের কার্যক্রম চলছে। সন্দেহভাজন কাউকে দেখলেই আমাদের পুলিশকে সবাই সেটা জানান।”
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “কিছু জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে, তবে বড় ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সাথে সাধারন মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।”

আওয়ামী লীগের লকডাউন প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “১৩ নভেম্বর ঘিরে শক্ত অবস্থানের জন্য আমাদের প্যাট্রোলিং বাড়ানো হয়েছে। কেপিআইগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া যেখানে-সেখানে খোলা তেল বিক্রি বন্ধসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, “সন্ত্রাসীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। আগামী ১৩ তারিখ ঘিরে আমাদের কার্যক্রম চলছে। সন্দেহভাজন কাউকে দেখলেই আমাদের পুলিশকে সবাই সেটা জানান।”
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “কিছু জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে, তবে বড় ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সাথে সাধারন মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।”

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।