এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবারও পাসের হারে এগিয়ে রয়েছেন মেয়েরা। আর জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন ছেলেরা।
মেয়েদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। ছেলেদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। পাসের হারে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে।
আজ শনিবার বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল প্রকাশ করা হয়। এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
ফলাফল পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ বছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৯ জন ছাত্রীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন। অন্যদিকে ৬ লাখ ৭ হাজার ৬৪৯ জন ছাত্রের মধ্যে পাস করেছেন ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন।
তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছেন। ছেলেদের জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা ২০ হাজার ৩৬৩ জন এবং মেয়েদের ১৯ হাজার ৭২১ জন।
গত ২ জুলাই সারা দেশে একযোগে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করে পরে তা নেওয়া হয়। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এ বছর ১১টি বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। এবার ছাত্রদের চেয়ে ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন।
সারা দেশে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন। এ বছর দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৯ বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন অংশ নেন।
ফল জানবেন যেভাবে
অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd ও https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।
এছাড়া, যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে ১৬১৪০ নম্বরে নির্ধারিত নিয়মে এসএমএস পাঠিয়ে মুহূর্তেই ফল জানা যাবে।