
দক্ষিণ চীন সাগরে নৌ ও আকাশ মহড়া চালাল চীন
মহড়াটি অনুষ্ঠিত হয়েছে চীন যাকে হুয়াংইয়ান দাও বলে অভিহিত করে, সেই শোলের আশপাশের আকাশসীমা ও জলসীমায়।

কুষ্টিয়ার মিরপুরে চাঁদা বকেয়া থাকায় এক ব্যক্তির মরদেহ স্থানীয় গোরস্থানে দাফন করতে না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত সোমবার উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের পুরাতন আজমপুর এলাকায় চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে।
আজ শনিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।
মৃতের পরিবারের অভিযোগ, আজমপুর পুরাতন পাড়া গোরস্থানের চাঁদা না দেওয়ার কারণে প্রথমে তাদের কাছে ৩৫ থেকে ৪৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত মরদেহ দাফনের অনুমতি মেলেনি।
এ ঘটনায় স্থানীয় জামায়াত নেতা আতিয়ার হাজীর বিরুদ্ধে গোরস্থান কর্তৃপক্ষকে প্রভাবিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার ভোর ৫টার দিকে মো. নাসির উদ্দিন মারা যান। তার কোনো ছেলে সন্তান নেই, তিন মেয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে তারা কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পথেই তারা খবর পান, যে গোরস্থানে তাদের দাদা ও পূর্ব পুরুষদের কবর রয়েছে, সেখানে নাসির উদ্দিনকে দাফন করতে দেওয়া হচ্ছে না।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রথমে তাদের বলা হয়- নাসির উদ্দিন দীর্ঘদিন গোরস্থানের মাসিক বা বাৎসরিক চাঁদা পরিশোধ করেননি। তাই এককালীন ৩৫ থেকে ৪৫ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। মৃত ওই ব্যক্তির পরিবার তাৎক্ষণিকভাবে হাতে যত টাকা আছে তা দিয়ে বাকি টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করার কথা বলেন। এমনকি ২ থেকে ৩ কিস্তিতে বকেয়া গোরস্থানের চাঁদার টাকা পরিশোধ করে দেওয়ার প্রস্তাবও দেন। কিন্তু তাতেও রাজি হননি গোরস্থান কমিটির সভাপতি আবুল মাস্টার।
মৃতের বড় মেয়ে মোছা. নাসিমা খাতুন বলেন, “আমরা টাকা দিতে রাজি ছিলাম, প্রয়োজনে কিস্তিতেও দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পরে বলা হয়, টাকা দিলেও বাবার মরদেহ সেখানে দাফন করা হবে না। এটা খুবই কষ্টের।”
স্থানীয়রা জানান, নাসির উদ্দিনের বাবা মৃত আহমদ আলী ওই গোরস্থানের সদস্য ছিলেন এবং তার মরদেহ সেখানেই দাফন করা হয়েছিল। তাই নাসির উদ্দিনের পরিবারও স্বাভাবিকভাবেই একই গোরস্থানে দাফনের আশা করেছিলেন।
মুদি দোকানি মো. সেলিম বলেন, “নাসির মারা যাওয়ার পর তার বড় মেয়ে সভাপতি আবুল মাস্টারের সঙ্গে কথা বলেন। তারা বলেন, যত টাকা লাগে দেবেন, শুধু মরদেহ দাফন করতে দিতে হবে। কিন্তু তারপরও অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে স্থানীয় আশরাফুল হক আশা মেম্বার তার নিজের পারিবারিক গোরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করেন।”
সদরপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও বিএনপির ওয়ার্ড সেক্রেটারি আশরাফুল হক আশা বলেন, “নাসির উদ্দিনের বাবা নিয়মিত চাঁদা দিতেন। তার মৃত্যুর পর নাসির আর চাঁদা দেননি। কিন্তু মৃত্যুর পর তার পরিবার এককালীন টাকা দিতেও রাজি হয়েছিল। শুনেছি তখন প্রায় ৪৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে বলা হয়, টাকা লাগবে না, তবুও তাকে দাফন করা হবে না। মানবিক দায়িত্ব থেকে আমার পারিবারিক গোরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করি।”
তিনি বলেন, “কবর অর্ধেক খনন হওয়ার পর এলাকার কয়েকজন জামায়াত নেতাকর্মী এসে বলেন, এতে তাদের দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং মরদেহ অন্য গোরস্থানে নেওয়া হোক। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা সেখানেই দাফন করতে চেয়েছিলেন। এটি নিয়ে বিভেদ সৃষ্টি হওয়া দুঃখজনক।”
ঘটনার পর এলাকায় গুঞ্জন ছড়ায়, স্থানীয় জামায়াত নেতা আতিয়ার হাজীর ইন্ধনেই গোরস্থান কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থান নেয়। কারণ হিসেবে কেউ কেউ বলেন, নাসির উদ্দিনের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের ভালো সম্পর্ক ছিল। যদিও তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন না।
আতিয়ার হাজী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “নাসির উদ্দিন আমার চাচাতো ভাই। তার মরদেহ ওই গোরস্থানে দাফন করতে না দেওয়ার কথা শুনে আমি বরং সেখানে দাফনের চেষ্টা করেছি। আমি গোরস্থান কমিটির কেউ না। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
গোরস্থান কমিটির সভাপতি আবুল মাস্টার বলেন, “আমাদের গোরস্থানে প্রায় ১৪০ জন সদস্য রয়েছেন। কেবল সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মরদেহ এখানে দাফন করা হয়। নাসির উদ্দিন সদস্য ছিলেন না। তাই তার মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ৩৫-৪৫ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ সঠিক নয়।”
মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজ শাহীন খসরু বলেন, “সাধারণত জনসাধারণের ব্যবহৃত গোরস্থানে এ ধরনের নিয়ম থাকে না। তবে যদি এটি সম্পূর্ণ পারিবারিক গোরস্থান হয়, তাহলে আলাদা বিষয়। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মহড়াটি অনুষ্ঠিত হয়েছে চীন যাকে হুয়াংইয়ান দাও বলে অভিহিত করে, সেই শোলের আশপাশের আকাশসীমা ও জলসীমায়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিবের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে। জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের পর সচিবালয়ে প্রবেশ করে ডেপুটি কমিশনার নিয়োগে হস্তক্ষেপ এবং জাতীয় পাঠ্যক্রম ও প

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষকের যোগদান প্রক্রিয়া আগামী অক্টোবর মাসে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন। বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানায়, আজ শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষক নিয়োগ-সংক্রান্ত এক জরুরি

গণ-অভ্যুত্থানকারী রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ বিভেদ ও অসতর্কতা সাবেক শাসক দল আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফিরে আসার পথ প্রশস্ত করতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। একই সাথে তিনি উল্লেখ করেছেন, রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগের প্রাতিষ্ঠানিক পতন ঘটলেও সমাজ, সংস্কৃতি