বরিশাল প্রতিনিধি

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সহিংসতা ও নারীদের নিয়ে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বক্তব্যের প্রতিবাদে বরিশালে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল করেছে মহিলা পরিষদ।
আজ বৃহস্পতিবার বরিশালের অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে জেলা মহিলা পরিষদ মানববন্ধন ও মৌন মিছিল করে।
মানববন্ধনে মহিলা পরিষদের নেতারা জানান, একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান হিসেবে কর্মজীবী নারীদের ব্যাপারে যে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন তা পুরো নারী সমাজের জন্য অবমাননাকর এবং নিন্দনীয়। এমন কলঙ্কজনক মন্তব্য ওই দলটির নারীদের ব্যাপারে তাদের কুরূচিপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ বলেই আমরা মনে করি।
মানববন্ধনে জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পুষ্প চক্রবর্তী বলেন, “স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও আমাদের নারীদের নিয়ে এমন অশ্লীল মন্তব্য গণতান্ত্রিক, অসাম্পদায়িকতা ও সমতার বাংলাদেশের চেতনার চরম অবমাননা। একজন রাজনীতিবিদ দেশের নারীদের নিয়ে এমন মন্তব্য শুধু অবমাননতাকর নয় এটা পুরো নারি সমাজের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার ঘুন্য পাঁয়তারা ছাড়া আর কিছু না।”
পুষ্প চক্রবর্তী আরও বলেন, “একজন রাজনৈতিক নেতার এমন মন্তব্য দেশের নারীদের ওপর নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন হয়রানির মত ঘটনাকে বৈধতা দেওয়ার শামিল এবং এসব অপরাধকে উসকে দেবে বলে আমরা মনে করি।”
পুষ্প চক্রবর্তী আরও বলেন, “দেশের রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ পরিকল্পিতভাবে সীমিত করার এক ঘৃন্য চেষ্টা।”
এসময় এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত ও মন্তব্যের জন্য শাস্তির দাবি জানায় জেলা মহিলা পরিষদ। পরে মিছিলটি সদর রোড হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সহিংসতা ও নারীদের নিয়ে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বক্তব্যের প্রতিবাদে বরিশালে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল করেছে মহিলা পরিষদ।
আজ বৃহস্পতিবার বরিশালের অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে জেলা মহিলা পরিষদ মানববন্ধন ও মৌন মিছিল করে।
মানববন্ধনে মহিলা পরিষদের নেতারা জানান, একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান হিসেবে কর্মজীবী নারীদের ব্যাপারে যে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন তা পুরো নারী সমাজের জন্য অবমাননাকর এবং নিন্দনীয়। এমন কলঙ্কজনক মন্তব্য ওই দলটির নারীদের ব্যাপারে তাদের কুরূচিপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ বলেই আমরা মনে করি।
মানববন্ধনে জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পুষ্প চক্রবর্তী বলেন, “স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও আমাদের নারীদের নিয়ে এমন অশ্লীল মন্তব্য গণতান্ত্রিক, অসাম্পদায়িকতা ও সমতার বাংলাদেশের চেতনার চরম অবমাননা। একজন রাজনীতিবিদ দেশের নারীদের নিয়ে এমন মন্তব্য শুধু অবমাননতাকর নয় এটা পুরো নারি সমাজের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার ঘুন্য পাঁয়তারা ছাড়া আর কিছু না।”
পুষ্প চক্রবর্তী আরও বলেন, “একজন রাজনৈতিক নেতার এমন মন্তব্য দেশের নারীদের ওপর নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন হয়রানির মত ঘটনাকে বৈধতা দেওয়ার শামিল এবং এসব অপরাধকে উসকে দেবে বলে আমরা মনে করি।”
পুষ্প চক্রবর্তী আরও বলেন, “দেশের রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ পরিকল্পিতভাবে সীমিত করার এক ঘৃন্য চেষ্টা।”
এসময় এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত ও মন্তব্যের জন্য শাস্তির দাবি জানায় জেলা মহিলা পরিষদ। পরে মিছিলটি সদর রোড হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।