চরচা প্রতিবেদক

ঈদুল আজহা সামনে রেখে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, মহাসড়কে গতি নিয়ন্ত্রণ এবং আইন প্রয়োগ জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা। আজ বুধবার রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘রোডক্র্যাশ রোধে নিরাপদ ঈদযাত্রায় করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
সভায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের রোড সেফটি প্রকল্প সমন্বয়কারী শারমিন রহমান বলেন, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে ঈদযাত্রাকালীন সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এটি দেশের সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে সামনে এনেছে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধ, চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা জরুরি।
সভায় আরও সুপারিশ করা হয়, ঈদের আগে ও পরে মহাসড়কে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল সীমিত করা, স্পিডগানের মাধ্যমে অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ, টোল প্লাজায় ডিজিটাল বুথ বাড়ানো এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা।
শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও ইউএনবির বিশেষ প্রতিনিধি মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক হাইওয়ে পুলিশ মোতায়েন করতে হবে।
সভায় সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা রোধে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা, চালকসহ সর্বোচ্চ দুইজন আরোহী নিশ্চিত করা এবং বেপরোয়া লেন পরিবর্তন ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং বন্ধে নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ঈদুল আজহা সামনে রেখে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, মহাসড়কে গতি নিয়ন্ত্রণ এবং আইন প্রয়োগ জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা। আজ বুধবার রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘রোডক্র্যাশ রোধে নিরাপদ ঈদযাত্রায় করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
সভায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের রোড সেফটি প্রকল্প সমন্বয়কারী শারমিন রহমান বলেন, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে ঈদযাত্রাকালীন সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এটি দেশের সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে সামনে এনেছে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধ, চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা জরুরি।
সভায় আরও সুপারিশ করা হয়, ঈদের আগে ও পরে মহাসড়কে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল সীমিত করা, স্পিডগানের মাধ্যমে অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ, টোল প্লাজায় ডিজিটাল বুথ বাড়ানো এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা।
শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও ইউএনবির বিশেষ প্রতিনিধি মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক হাইওয়ে পুলিশ মোতায়েন করতে হবে।
সভায় সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা রোধে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা, চালকসহ সর্বোচ্চ দুইজন আরোহী নিশ্চিত করা এবং বেপরোয়া লেন পরিবর্তন ও ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং বন্ধে নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।