চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মানিকদি আমতলা এলাকায় দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলিতে এক কলেজ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত প্রায় সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহত মো. করিম (১৮) মিরপুর বাংলা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।
আহতের বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, রাতে ছেলেকে দোকান থেকে মশার কয়েল কিনে আনতে পাঠানো হয়। দোকান থেকে ফেরার পথে বন্ধু তুহিনের সঙ্গে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরছিলেন করিম।
রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমতলার ‘৩২ মালিকের বিল্ডিং’ নামে পরিচিত একটি ভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ অন্ধকারে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। এতে করিমের দুই পায়ে গুলি লাগে।”
রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, “চিকিৎসা শেষে রাতেই করিমকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কারা এ হামলা চালিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। ছেলের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না।”
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে জরুরি বিভাগে আনা হলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিষয়টি ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

রাজধানীর মানিকদি আমতলা এলাকায় দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলিতে এক কলেজ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত প্রায় সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহত মো. করিম (১৮) মিরপুর বাংলা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।
আহতের বাবা রফিকুল ইসলাম জানান, রাতে ছেলেকে দোকান থেকে মশার কয়েল কিনে আনতে পাঠানো হয়। দোকান থেকে ফেরার পথে বন্ধু তুহিনের সঙ্গে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে বাসায় ফিরছিলেন করিম।
রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমতলার ‘৩২ মালিকের বিল্ডিং’ নামে পরিচিত একটি ভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ অন্ধকারে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। এতে করিমের দুই পায়ে গুলি লাগে।”
রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, “চিকিৎসা শেষে রাতেই করিমকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কারা এ হামলা চালিয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। ছেলের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না।”
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে জরুরি বিভাগে আনা হলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়। বিষয়টি ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।