চরচা প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের সুস্পষ্ট প্রমাণ রাখতে সক্ষম হবে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
আজ মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরের হল অব ইন্টিগ্রিটিতে ২০০৮ সালে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ও সম্প্রতি যোগদানকারী ২৭তম, ২৮তম ও ৪৩তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের এএসপি প্রবেশনারদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, “বাংলাদেশ পুলিশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছে। পুলিশ সদস্যদের মনোবল শক্তিশালী করা এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালনে পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতার পরিচয় দিতে প্রস্তুত।”
এ ছাড়া বাহারুল আলম যোগদানকারী নতুন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “এই মুহূর্তটি কেবল আপনাদের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং ন্যায্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিজয়ের মাধ্যমে আপনাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান হয়েছে এবং আপনারা বৈধ অধিকার ফিরে পেয়েছেন।”
তিনি জানান, এএসপি প্রবেশনারদের প্রত্যেকেরই পূর্ববর্তী কর্মক্ষেত্রে অর্জিত মূল্যবান অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে শক্তি ও দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।
ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে এএসপি প্রবেশনারদের সততা ও পেশাদারত্ব ডিজিটাল পরিসরেও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান তিনি।
পুলিশ প্রধান বলেন, “বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় অপরাধের ধরন বদলে গেছে। সাইবার জগতে অপরাধ বাড়ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনমত গড়ে উঠছে। এ পরিস্থিতিতে কেবল প্রচলিত পদ্ধতিতে পুলিশিং যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও বৈশ্বিক সচেতনতা।”
এ সময় আইজিপি সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা ও বিধি-বিধানের প্রতি কঠোর আনুগত্য বজায় রেখে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য এএসপি প্রবেশনারদের প্রতি নির্দেশনা দেন।
উল্লেখ্য, ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের ৬০ জন, ২৮তম ব্যাচের একজন এবং ৪৩তম ব্যাচের ৬ জন কর্মকর্তা দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পুনরায় নিয়োগের সুযোগ পেয়েছেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের সুস্পষ্ট প্রমাণ রাখতে সক্ষম হবে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
আজ মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরের হল অব ইন্টিগ্রিটিতে ২০০৮ সালে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ও সম্প্রতি যোগদানকারী ২৭তম, ২৮তম ও ৪৩তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের এএসপি প্রবেশনারদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, “বাংলাদেশ পুলিশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছে। পুলিশ সদস্যদের মনোবল শক্তিশালী করা এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালনে পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতার পরিচয় দিতে প্রস্তুত।”
এ ছাড়া বাহারুল আলম যোগদানকারী নতুন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “এই মুহূর্তটি কেবল আপনাদের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং ন্যায্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিজয়ের মাধ্যমে আপনাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান হয়েছে এবং আপনারা বৈধ অধিকার ফিরে পেয়েছেন।”
তিনি জানান, এএসপি প্রবেশনারদের প্রত্যেকেরই পূর্ববর্তী কর্মক্ষেত্রে অর্জিত মূল্যবান অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা ভবিষ্যতে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে শক্তি ও দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।
ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে এএসপি প্রবেশনারদের সততা ও পেশাদারত্ব ডিজিটাল পরিসরেও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান তিনি।
পুলিশ প্রধান বলেন, “বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় অপরাধের ধরন বদলে গেছে। সাইবার জগতে অপরাধ বাড়ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনমত গড়ে উঠছে। এ পরিস্থিতিতে কেবল প্রচলিত পদ্ধতিতে পুলিশিং যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও বৈশ্বিক সচেতনতা।”
এ সময় আইজিপি সময়ানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা ও বিধি-বিধানের প্রতি কঠোর আনুগত্য বজায় রেখে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য এএসপি প্রবেশনারদের প্রতি নির্দেশনা দেন।
উল্লেখ্য, ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের ৬০ জন, ২৮তম ব্যাচের একজন এবং ৪৩তম ব্যাচের ৬ জন কর্মকর্তা দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পুনরায় নিয়োগের সুযোগ পেয়েছেন।