চরচা ডেস্ক

নির্বাচন নিয়ে সরকারের প্রতি আস্থার কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
আজ বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আইন উপদেষ্টা বলেন, “ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে সরকারের প্রতি আস্থার সংকট নেই। রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্যের কারণে বিভ্রান্তি তৈরী হচ্ছে।”
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়নি, তারা সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকার কথা বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে সরকার নিরপেক্ষভাবেই কাজ করে যাচ্ছেন।”
জনপ্রশাসনের বদলি-নিয়োগ নিয়ে বিএনপির আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টা নিজেই এখন থেকে বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা আরও জানান, সেনা কর্মকর্তাদের সাবজেলে রাখার বিষয়টি নির্ভর করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যে বিচার প্রক্রিয়া চলছে তার প্রতি যে শ্রদ্ধা দেখানো হয়েছে বা যেভাবে তাদের নিয়ে আসা হয়েছে; সেনা প্রশাসন বা সেনা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, সেনা প্রধান যেভাবে সহযোগিতা করেছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসার দাবিদার।”

নির্বাচন নিয়ে সরকারের প্রতি আস্থার কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
আজ বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আইন উপদেষ্টা বলেন, “ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে সরকারের প্রতি আস্থার সংকট নেই। রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্যের কারণে বিভ্রান্তি তৈরী হচ্ছে।”
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়নি, তারা সরকারের নিরপেক্ষ ভূমিকার কথা বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে সরকার নিরপেক্ষভাবেই কাজ করে যাচ্ছেন।”
জনপ্রশাসনের বদলি-নিয়োগ নিয়ে বিএনপির আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টা নিজেই এখন থেকে বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা আরও জানান, সেনা কর্মকর্তাদের সাবজেলে রাখার বিষয়টি নির্ভর করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যে বিচার প্রক্রিয়া চলছে তার প্রতি যে শ্রদ্ধা দেখানো হয়েছে বা যেভাবে তাদের নিয়ে আসা হয়েছে; সেনা প্রশাসন বা সেনা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, সেনা প্রধান যেভাবে সহযোগিতা করেছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসার দাবিদার।”

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।