চরচা ডেস্ক

বুরকিনা ফাসোর সামরিক নেতৃত্বাধীন সরকার সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক অবিলম্বে ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটি ফ্রান্সের বিরুদ্ধে "নব্য-ঔপনিবেশিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা" অনুসরণ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার কর্মকাণ্ডে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ এনেছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) দেশটি সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দেয়। বার্তা সংস্থা এপির বরাতে ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে সামরিক সরকার দাবি করেছে, ফ্রান্স ‘ধ্বংসাত্মক নেটওয়ার্ক ও সন্ত্রাসীদের’ সমর্থন দিয়েছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে তারা কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেনি।
ফ্রান্স এ সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করে একে ‘বৈরিতাপূর্ণ ও ভিত্তিহীন’ বলে অভিহিত করেছে। ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানান, প্যারিস পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং বুরকিনা ফাসোতে অবস্থানরত ফরাসি কর্মকর্তা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
তিনি বলেন, "এই সিদ্ধান্ত বুরকিনা ফাসো কর্তৃপক্ষ যে উদ্বেগজনক পথে এগোচ্ছে, তারই প্রতিফলন।" একই সঙ্গে তিনি দেশটিতে থাকা ফরাসি নাগরিকদের আরও বেশি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষের দেশ বুরকিনা ফাসো দীর্ঘদিন ধরে আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেট (আইএস)-সংশ্লিষ্ট উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সহিংসতার পাশাপাশি সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের মুখোমুখি। বৃহত্তর সাহেল অঞ্চল বর্তমানে উগ্রপন্থী সহিংসতার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার তাৎক্ষণিক প্রভাব এবং ওয়াগাডুগুতে ফরাসি দূতাবাসের কার্যক্রমে এর কী প্রভাব পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী পিংদোয়েন্দে গিলবার্ট ওয়েদ্রাওগো বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ আর বিদ্যমান নেই।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে অবনতি হয়েছে। ২০২২ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বুরকিনা ফাসোর সামরিক শাসকেরা বারবার ফ্রান্সের বিরুদ্ধে দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলেছেন।
২০২৩ সালে সামরিক সরকার ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহারের অনুরোধ জানায় এবং জাতিসংঘের আবাসিক ও মানবিক সমন্বয়কারীকে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি (পারসোনা নন গ্রাটা) ঘোষণা করে। পরের বছর কথিত ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তিনজন ফরাসি কূটনীতিককে বহিষ্কার করা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে ফ্রান্স ছিল বুরকিনা ফাসোর প্রধান নিরাপত্তা সহযোগী। উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করতে দেশটিতে ফরাসি সেনা মোতায়েন ছিল। তবে সামরিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর ফরাসি বাহিনীকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেয়।
সামরিক সরকার নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অবশ্য বিশ্লেষকদের মতে সহিংসতা বরং বেড়েছে। সাম্প্রতিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত দেশে নথিভুক্ত ১ হাজার ৮৩৭ জন বেসামরিক নিহতের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ২০০ জনের মৃত্যুর জন্য সরকারি বাহিনী দায়ী বলে অভিযোগ রয়েছে।

বুরকিনা ফাসোর সামরিক নেতৃত্বাধীন সরকার সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক অবিলম্বে ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটি ফ্রান্সের বিরুদ্ধে "নব্য-ঔপনিবেশিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা" অনুসরণ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার কর্মকাণ্ডে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ এনেছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) দেশটি সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দেয়। বার্তা সংস্থা এপির বরাতে ইউএনবি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে সামরিক সরকার দাবি করেছে, ফ্রান্স ‘ধ্বংসাত্মক নেটওয়ার্ক ও সন্ত্রাসীদের’ সমর্থন দিয়েছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে তারা কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেনি।
ফ্রান্স এ সিদ্ধান্তে দুঃখ প্রকাশ করে একে ‘বৈরিতাপূর্ণ ও ভিত্তিহীন’ বলে অভিহিত করেছে। ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানান, প্যারিস পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং বুরকিনা ফাসোতে অবস্থানরত ফরাসি কর্মকর্তা ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
তিনি বলেন, "এই সিদ্ধান্ত বুরকিনা ফাসো কর্তৃপক্ষ যে উদ্বেগজনক পথে এগোচ্ছে, তারই প্রতিফলন।" একই সঙ্গে তিনি দেশটিতে থাকা ফরাসি নাগরিকদের আরও বেশি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
প্রায় ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষের দেশ বুরকিনা ফাসো দীর্ঘদিন ধরে আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেট (আইএস)-সংশ্লিষ্ট উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সহিংসতার পাশাপাশি সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের মুখোমুখি। বৃহত্তর সাহেল অঞ্চল বর্তমানে উগ্রপন্থী সহিংসতার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার তাৎক্ষণিক প্রভাব এবং ওয়াগাডুগুতে ফরাসি দূতাবাসের কার্যক্রমে এর কী প্রভাব পড়বে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী পিংদোয়েন্দে গিলবার্ট ওয়েদ্রাওগো বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ আর বিদ্যমান নেই।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে অবনতি হয়েছে। ২০২২ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বুরকিনা ফাসোর সামরিক শাসকেরা বারবার ফ্রান্সের বিরুদ্ধে দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলেছেন।
২০২৩ সালে সামরিক সরকার ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহারের অনুরোধ জানায় এবং জাতিসংঘের আবাসিক ও মানবিক সমন্বয়কারীকে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি (পারসোনা নন গ্রাটা) ঘোষণা করে। পরের বছর কথিত ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তিনজন ফরাসি কূটনীতিককে বহিষ্কার করা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে ফ্রান্স ছিল বুরকিনা ফাসোর প্রধান নিরাপত্তা সহযোগী। উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করতে দেশটিতে ফরাসি সেনা মোতায়েন ছিল। তবে সামরিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর ফরাসি বাহিনীকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেয়।
সামরিক সরকার নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অবশ্য বিশ্লেষকদের মতে সহিংসতা বরং বেড়েছে। সাম্প্রতিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত দেশে নথিভুক্ত ১ হাজার ৮৩৭ জন বেসামরিক নিহতের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ২০০ জনের মৃত্যুর জন্য সরকারি বাহিনী দায়ী বলে অভিযোগ রয়েছে।

তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীর লাশ ভেসে ওঠার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি দাবিকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। একই সাথে এই ভিত্তিহীন গুজবে কান না দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।