সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের বিভিন্ন নদ-নদীতে কয়েকদিন পানি কিছুটা কমলেও আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। টানা বৃষ্টিপাত এবং ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে এ পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিগত সপ্তাহ দুয়েক ধরেই তাই নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা বিরাজ করছে৷ যদিও নদ-নদীর পানি এখনও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। একাধিক পয়েন্টে তা আবার বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে আসছে।
সিলেটের খুশিঘাট এলাকার বাসিন্দা মুরাদমিয়া বলেন, “আমরা নদীর পাড়ের কাছাকাছি এলাকায় থাকি। নদীর পানি বাড়তে থাকলে আতংকে থাকি। গত কয়েকদিনে পানি কমতে থাকলে একটু স্বস্তিতে ছিলাম। কাল থেকে আবার বাড়ছে। বন্যা হলে অবস্থা আমাদের বেগতিক। বউ বাচ্চা নিয়ে বিপদে পড়ে যাব।”
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) দৈনিক পানি পরিমাপের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি সমতলে বৃদ্ধি ও হ্রাস—উভয় প্রবণতাই লক্ষ্য করা গেছে। তবে পর্যবেক্ষণাধীন পরিমাপে এখনও অধিকাংশ নদীর পানি বিপৎসীমার নিচেই রয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি সমতল ১২ দশমিক ৩৫ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। যেখানে বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার। অন্যদিকে সিলেট পয়েন্টে পানি সমতল রয়েছে ৯ দশমিক ৮৫ মিটার। যা বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটারের নিচে।
কুশিয়ারা নদীর অমলশীদ পয়েন্টে পানি সমতল দিনব্যাপী বেড়ে বিকেলে ১৪ দশমিক ৮০ মিটারে পৌঁছেছে। যা বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৮০ মিটারের নিচে। শেওলা পয়েন্টে পানি সমতল ১২ দশমিক ৯৫ মিটার, যা বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ০৫ মিটার। এছাড়াও ফেঞ্চুগঞ্জে ৯ দশমিক ৭৯ মিটার এবং শেরপুরে ৮ দশমিক ০২ মিটার পানি সমতল রেকর্ড করা হয়েছে। যা বিপদ সীমার নিচে।
এদিকে সারিগোয়াইন নদীর সারিঘাট পয়েন্টে পানি সমতল সন্ধ্যায় ১০ দশমিক ১৩ মিটার, গোয়াইনঘাট পয়েন্টে ৯ দশমিক ৫৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। পিয়াইন নদীর জাফলং পয়েন্টে ৯ দশমিক ৭৪ মিটার।
এছাড়া লোভাছড়া নদীর লোভাছড়া পয়েন্টে পানি সমতল ১২ দশমিক ৬৬ মিটার এবং ধলা নদীর ছাতক/ইসলামপুর পয়েন্টে ৯ দশমিক ৬২ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। এই দুটি নদী পাহাড়ি এলাকার কাছাকাছি হওয়ায় পানি দ্রুতই নিমাঞ্চলে নেমে যায়।
এদিকে সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে শেওলা এলাকায়। এছাড়া কানাইঘাটে ৩২ মিলিমিটার, সিলেটে ১৫ মিলিমিটার এবং শেরপুরে ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানিয়েছেন, গত ৩-৪ দিন বৃষ্টি কম হওয়ায় নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছিলো। তবে বৃষ্টি আবার বাড়তে থাকায় পানি কিছুটা বাড়ছে। যদিও এখনও বিপৎসীমার নিচে তবে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। নদ-নদীর পানি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে উজানের ঢল ও স্থানীয় বৃষ্টির কারণে পানি সমতল আরও বাড়তে পারে।
দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, “বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে এখন পর্যন্ত বড় কোনো বন্যার আভাস পাওয়া যায়নি। সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি মূলত মেঘালয়ের বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভরশীল। এখন পর্যন্ত সেখানে টানা অতি ভারী বৃষ্টির খবর নেই।”
দীপক রঞ্জন দাশ আরও বলেন, “ভৌগোলিক কারণে মেঘালয়ের পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় সাময়িক ফ্ল্যাশ ফ্লাড দেখা দিলেও আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তবে সবাইকে পর্যাপ্ত নিরাপদ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট মজুত এবং বন্যার সময় সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় সতর্ক থাকতে হবে।”

সিলেটের বিভিন্ন নদ-নদীতে কয়েকদিন পানি কিছুটা কমলেও আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। টানা বৃষ্টিপাত এবং ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে এ পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিগত সপ্তাহ দুয়েক ধরেই তাই নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা বিরাজ করছে৷ যদিও নদ-নদীর পানি এখনও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। একাধিক পয়েন্টে তা আবার বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে আসছে।
সিলেটের খুশিঘাট এলাকার বাসিন্দা মুরাদমিয়া বলেন, “আমরা নদীর পাড়ের কাছাকাছি এলাকায় থাকি। নদীর পানি বাড়তে থাকলে আতংকে থাকি। গত কয়েকদিনে পানি কমতে থাকলে একটু স্বস্তিতে ছিলাম। কাল থেকে আবার বাড়ছে। বন্যা হলে অবস্থা আমাদের বেগতিক। বউ বাচ্চা নিয়ে বিপদে পড়ে যাব।”
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) দৈনিক পানি পরিমাপের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি সমতলে বৃদ্ধি ও হ্রাস—উভয় প্রবণতাই লক্ষ্য করা গেছে। তবে পর্যবেক্ষণাধীন পরিমাপে এখনও অধিকাংশ নদীর পানি বিপৎসীমার নিচেই রয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি সমতল ১২ দশমিক ৩৫ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। যেখানে বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার। অন্যদিকে সিলেট পয়েন্টে পানি সমতল রয়েছে ৯ দশমিক ৮৫ মিটার। যা বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৮০ মিটারের নিচে।
কুশিয়ারা নদীর অমলশীদ পয়েন্টে পানি সমতল দিনব্যাপী বেড়ে বিকেলে ১৪ দশমিক ৮০ মিটারে পৌঁছেছে। যা বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৮০ মিটারের নিচে। শেওলা পয়েন্টে পানি সমতল ১২ দশমিক ৯৫ মিটার, যা বিপৎসীমা ১৩ দশমিক ০৫ মিটার। এছাড়াও ফেঞ্চুগঞ্জে ৯ দশমিক ৭৯ মিটার এবং শেরপুরে ৮ দশমিক ০২ মিটার পানি সমতল রেকর্ড করা হয়েছে। যা বিপদ সীমার নিচে।
এদিকে সারিগোয়াইন নদীর সারিঘাট পয়েন্টে পানি সমতল সন্ধ্যায় ১০ দশমিক ১৩ মিটার, গোয়াইনঘাট পয়েন্টে ৯ দশমিক ৫৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। পিয়াইন নদীর জাফলং পয়েন্টে ৯ দশমিক ৭৪ মিটার।
এছাড়া লোভাছড়া নদীর লোভাছড়া পয়েন্টে পানি সমতল ১২ দশমিক ৬৬ মিটার এবং ধলা নদীর ছাতক/ইসলামপুর পয়েন্টে ৯ দশমিক ৬২ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। এই দুটি নদী পাহাড়ি এলাকার কাছাকাছি হওয়ায় পানি দ্রুতই নিমাঞ্চলে নেমে যায়।
এদিকে সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে শেওলা এলাকায়। এছাড়া কানাইঘাটে ৩২ মিলিমিটার, সিলেটে ১৫ মিলিমিটার এবং শেরপুরে ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানিয়েছেন, গত ৩-৪ দিন বৃষ্টি কম হওয়ায় নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছিলো। তবে বৃষ্টি আবার বাড়তে থাকায় পানি কিছুটা বাড়ছে। যদিও এখনও বিপৎসীমার নিচে তবে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। নদ-নদীর পানি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে উজানের ঢল ও স্থানীয় বৃষ্টির কারণে পানি সমতল আরও বাড়তে পারে।
দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, “বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে এখন পর্যন্ত বড় কোনো বন্যার আভাস পাওয়া যায়নি। সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি মূলত মেঘালয়ের বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভরশীল। এখন পর্যন্ত সেখানে টানা অতি ভারী বৃষ্টির খবর নেই।”
দীপক রঞ্জন দাশ আরও বলেন, “ভৌগোলিক কারণে মেঘালয়ের পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় সাময়িক ফ্ল্যাশ ফ্লাড দেখা দিলেও আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তবে সবাইকে পর্যাপ্ত নিরাপদ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট মজুত এবং বন্যার সময় সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় সতর্ক থাকতে হবে।”

গত ১২ জানুয়ারি ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি সাক্ষর হয়। চুক্তি মোতাবেক ১৮ জানুয়ারি কাজ শুরু করে ২৬ জুনের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু সড়ক খুঁড়ে, কিছু গাইডওয়াল নির্মাণ করে এবং প্রায় ২০ শতাংশ কাজ সম্পন্নের পর প্রথমে বিল হিসেবে ১৮ লাখ টাকা উত্তোলন করে কাজ বন্ধ করে দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো একটি ভাষা বা সংস্কৃতিকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে অন্য ভাষা বা সংস্কৃতিকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। বাংলাদেশের সকল ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় বিশ্বাস ও নৃগোষ্ঠীর পরিচয়কে সম্মান ও ধারণ করেই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ বিকশিত হয়েছে।

অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলা হয়েছে। এ মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।