বর্তমান সরকারের প্রথম ১৮০ দিন বা ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে একটি ই-বুক প্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।
আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এই প্রকাশনায় সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগ, অগ্রাধিকারভিত্তিক বিভিন্ন খাতের সাফল্য এবং কিছু ক্ষেত্রে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
ওই ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, এই ই-বুকে সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ, সংস্কার ও অর্জনের একটি তথ্যনির্ভর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এটি শুধু ছয় মাসের বিবরণ নয়, বরং ভবিষ্যৎ পথচলার ভিত্তি এবং পরিবর্তনশীল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার একটি প্রামাণ্য দলিল।
ই-বুকে বলা হয়েছে, একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন এবং দুর্বল শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারকে প্রথম দিন থেকেই বাংলাদেশ পুনর্গঠনের কর্মযজ্ঞ শুরু করতে হয়েছে। সরকার গঠনের দিন থেকেই জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম ১৮০ দিনে প্রতিটি খাতে শতভাগ সফলতা এসেছে– এমন দাবি সরকার করে না। তবে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের শতভাগ আন্তরিকতা ছিল বলে প্রকাশনায় উল্লেখ করা হয়।
সরকার দাবি করেছে, অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা, কৃষির পুনরুজ্জীবন, সামাজিক সুরক্ষার সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালীকরণ এবং বিশ্বপরিসরে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সেই সঙ্গে দেশে-বিদেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রেকর্ড পরিমান খাদ্য মজুত, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতে উন্নয়ন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং রপ্তানি সম্প্রসারণে ইতিবাচক অগ্রগতির দাবি করেছে সরকার।
প্রকাশনাটিতে বলা হয়েছে, তারেক রহমান শুধু নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় থেমে নেই, রাজনীতিতেও গুণগত পরিবর্তন এনেছেন তিনি। প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির পরিবর্তে তিনি ধৈর্য ও সহনশীলতার রাজনীতির পথে হাঁটছেন। তারেক রহমান ব্যক্তিবন্দনার রাজনীতির অবসান ঘটিয়েছেন।