চরচা প্রতিবেদক

অমর একুশে বইমেলাকে ঘিরে নাশকতার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মো. সরওয়ার।
আজ বুধবার দুপুরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বইমেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মো. সরওয়ার বলেন, ‘‘অমর একুশে বইমেলাকে ঘিরে আমরা কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি। আমাদের ইন্টেলিজেন্স সংস্থাগুলোর প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত নাশকতার কোনো আশঙ্কা নেই। তবে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।’’
ডিএমপি জানায়, মেলা প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে। মেলা চলার সময় পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে। রাতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা তদারকি করবেন।
মেলা প্রাঙ্গণ ও এর চারপাশে প্রায় ৩০০টি ক্লোজ সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ডগ স্কোয়াড দিয়ে নিয়মিত সুইপিং পরিচালনা করা হবে। প্রবেশমুখে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি চালানো হবে। পাশাপাশি ম্যানুয়াল চেকিংও থাকবে। ধারালো অস্ত্র, বিস্ফোরক বা দাহ্য পদার্থ নিয়ে কেউ মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
নারী-শিশু ও জরুরি সেবায় বিশেষ ব্যবস্থা
মেলায় আগত নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোয়াট, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট, ডিবি ও অন্যান্য বিশেষায়িত টিম প্রস্তুত থাকবে। মেলা প্রাঙ্গণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও থাকবে।
এ ছাড়া লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড সেন্টার, হেল্প ডেস্ক ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। হকার, বখাটে, ছিনতাইকারী ও পকেটমারদের তৎপরতা ঠেকাতে বিশেষ নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ডাইভারশন
ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, দর্শনার্থীর চাপ বিবেচনায় বিশেষ ট্রাফিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। টিএসসি, দোয়েল চত্বর ও হাকিম চত্বরে ডাইভারশন থাকবে। নির্ধারিত পার্কিংয়ের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসংলগ্ন এলাকা, মহসিন হল মাঠ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ, ফুলার রোড ও জিমনেসিয়াম মাঠ নির্ধারণ করা হয়েছে।
মেলা চলাকালে দিন ও রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ভারী যানবাহন প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কিছু সড়ক আংশিক সময়ের জন্য খোলা বা বন্ধ রাখা হতে পারে।
দর্শনার্থীদের উদ্দেশে ডিএমপি অনুরোধ জানিয়েছে, মেলার গেটের সামনে যানজট তৈরি না করে কিছুটা দূরে নেমে হেঁটে প্রবেশ করতে, যাতে অন্যরা নির্বিঘ্নে ঢুকতে পারেন।
ধর্মীয় সংবেদনশীলতা ও সার্বিক নজরদারি
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে—এমন কোনো বই স্টলে আছে কি না, সে বিষয়েও নজরদারি রাখা হবে। একইসঙ্গে মেলার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবে পুলিশ।
প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানজুড়ে। বইপ্রেমীদের এই প্রাণের উৎসব ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

অমর একুশে বইমেলাকে ঘিরে নাশকতার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মো. সরওয়ার।
আজ বুধবার দুপুরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বইমেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মো. সরওয়ার বলেন, ‘‘অমর একুশে বইমেলাকে ঘিরে আমরা কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছি। আমাদের ইন্টেলিজেন্স সংস্থাগুলোর প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত নাশকতার কোনো আশঙ্কা নেই। তবে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।’’
ডিএমপি জানায়, মেলা প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে। মেলা চলার সময় পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে ২৪ ঘণ্টা সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে। রাতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা তদারকি করবেন।
মেলা প্রাঙ্গণ ও এর চারপাশে প্রায় ৩০০টি ক্লোজ সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ডগ স্কোয়াড দিয়ে নিয়মিত সুইপিং পরিচালনা করা হবে। প্রবেশমুখে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি চালানো হবে। পাশাপাশি ম্যানুয়াল চেকিংও থাকবে। ধারালো অস্ত্র, বিস্ফোরক বা দাহ্য পদার্থ নিয়ে কেউ মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
নারী-শিশু ও জরুরি সেবায় বিশেষ ব্যবস্থা
মেলায় আগত নারী ও শিশুদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোয়াট, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট, ডিবি ও অন্যান্য বিশেষায়িত টিম প্রস্তুত থাকবে। মেলা প্রাঙ্গণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও থাকবে।
এ ছাড়া লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড সেন্টার, হেল্প ডেস্ক ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। হকার, বখাটে, ছিনতাইকারী ও পকেটমারদের তৎপরতা ঠেকাতে বিশেষ নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ডাইভারশন
ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, দর্শনার্থীর চাপ বিবেচনায় বিশেষ ট্রাফিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। টিএসসি, দোয়েল চত্বর ও হাকিম চত্বরে ডাইভারশন থাকবে। নির্ধারিত পার্কিংয়ের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসংলগ্ন এলাকা, মহসিন হল মাঠ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ, ফুলার রোড ও জিমনেসিয়াম মাঠ নির্ধারণ করা হয়েছে।
মেলা চলাকালে দিন ও রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ভারী যানবাহন প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কিছু সড়ক আংশিক সময়ের জন্য খোলা বা বন্ধ রাখা হতে পারে।
দর্শনার্থীদের উদ্দেশে ডিএমপি অনুরোধ জানিয়েছে, মেলার গেটের সামনে যানজট তৈরি না করে কিছুটা দূরে নেমে হেঁটে প্রবেশ করতে, যাতে অন্যরা নির্বিঘ্নে ঢুকতে পারেন।
ধর্মীয় সংবেদনশীলতা ও সার্বিক নজরদারি
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে—এমন কোনো বই স্টলে আছে কি না, সে বিষয়েও নজরদারি রাখা হবে। একইসঙ্গে মেলার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবে পুলিশ।
প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানজুড়ে। বইপ্রেমীদের এই প্রাণের উৎসব ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।